গোলের পর গোল না এলেও, জয় এসেছে। ডুরান্ড কাপের দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখল ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু ম্যাচ শেষে কোচ অস্কার ব্রুজোর মুখে পুরোপুরি তৃপ্তির ছাপ ছিল না—কারণ একটাই, স্ট্রাইকারদের সুযোগ নষ্টের প্রবণতা। এ দিন নামধারী এফসির বিরুদ্ধে ১-০ গোলে জয় পেলেও, স্কোরলাইন আরও বড় হতে পারত, যদি লাল-হলুদ ফরোয়ার্ডরা সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারতেন।
প্রথম ম্যাচের মতোই শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মনোভাব নিয়ে খেলতে নামে ইস্টবেঙ্গল। দিয়ামানতাকোস, ফেরেইরা একের পর এক আক্রমণ সাজালেও গোল আসেনি। বারবার আটকে গেলেন পোস্টে, গোলরক্ষকে কিংবা নিজেদের অসাবধানতায়। প্রথমার্ধে একচেটিয়া দখল রেখেও ফল আসেনি।
শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ৬৮ মিনিটে কর্নার থেকে হেড করে গোল করলেন মরক্কোর জাতীয় দলের ফুটবলার হামিদ আহদাদ। গোলরক্ষকের ভুলে বল পেয়ে যান তিনি এবং সুযোগ কাজে লাগাতে ভুল করেননি। যদিও ম্যাচের শেষ দিকে তিনিও একটি সহজ সুযোগ নষ্ট করেন, যা ব্রুজোর কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।
সব মিলিয়ে, জয় পেয়ে নকআউট নিশ্চিত হলেও ইস্টবেঙ্গলের কোচ জানেন, বড় ম্যাচে গোলের এমন সুযোগ নষ্ট করলে চড়া মাশুল দিতে হতে পারে। ইতিবাচক দিক হল, দল ছন্দে ফিরছে, বিদেশিরা খেলার মেজাজে। তবে চ্যালেঞ্জ আরও বড় অপেক্ষা করছে সামনের ম্যাচগুলোতে। গ্যালারিতে এ দিন ফুটবল ছাড়িয়ে রাজনীতির আঁচও স্পষ্ট ছিল, যা তুলে ধরল বাংলার আবেগ।







