হুগলির সিঙ্গুরের একটি নার্সিংহোম থেকে উদ্ধার হওয়া নন্দীগ্রামের তরুণী নার্স দীপালি জানার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ধোঁয়াশা আরও গভীর হচ্ছে। কল্যাণী এমসের চার সদস্যের ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ দল ও ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে করা ময়নাতদন্তে উঠে এসেছে, গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন তিনি। শরীরে কোনও প্রকার আঘাতের দাগ মেলেনি বলেও রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে। তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণে ভিসেরা সংরক্ষণ করা হয়েছে, যাতে বিষক্রিয়া বা অন্য কোনও জটিলতা খতিয়ে দেখা যায়।
মাত্র দু’দিন আগে চাকরিতে যোগ দিয়েছিলেন ২৪ বছরের দীপালি। গত বুধবার নার্সিংহোমের ঘর থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনার পরদিন থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারের দাবি, তাঁদের মেয়েকে খুন করা হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে মৃতার প্রেমিক রাধাগোবিন্দ ঘটক ও নার্সিংহোমের মালিককে।
এদিকে, বিজেপি অভিযোগ করেছে, ঘটনার তদন্তে গাফিলতি করছে পুলিশ এবং সত্য গোপনের চেষ্টা চলছে। পরিবারের চাপেই অবশেষে কল্যাণী এমসে ময়নাতদন্ত হয়, যা ভিডিয়োগ্রাফিও করা হয়। রিপোর্টে আত্মহত্যার ইঙ্গিত মিললেও, পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত এখনই শেষ হয়নি। কী কারণে দীপালি চরম সিদ্ধান্ত নিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি, রাধাগোবিন্দ ঘটকের মোবাইল খোঁজার কাজও চলছে।







