বর্তমানে নিয়োগ দুর্নীতি মামলা নিয়ে চরমে উঠেছে রাজ্যে রাজনীতি তরজা। এমনকি দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে এরইমধ্যে চাকরি হারিয়েছে প্রায় ২৬ হাজার। ফের কমিশন বিরুদ্ধে অযোগ্যদের পাশে থাকার অভিযোগে উঠল। যা নিয়ে বৃহস্পতিবার রাজ্যে স্কুল সার্ভিস কমিশনকে কড়া বার্তা দিল বিচারপতি সঞ্জয় কুমার।
সম্প্রতি বেশ কয়েকজন চাকরিহারা বিভিন্ন দাবি দ্বারস্থ হয়েছেন সুপ্রিম কোর্টে। সেই আবেদনের শুনানি চলেছে বিচারপতি সঞ্জয় কুমার ও সতীশ চন্দ্র শর্মার বেঞ্চ। চাকরিহারাদের দাবি ২০১৬ সালের মতো এবারেও গ্র্যাজুয়েশনে ৪৫ শতাংশ নম্বর পাওয়া চাকুরিরত শিক্ষকদের নতুন নিয়োগ পরীক্ষায় বসতে দেওয়ার আবেদন যেন করতে পারে। সেই আবেদন প্রথম দিকে মেনে নিলেও পরের দিকে ৪৫ শতাংশ নম্বর নিয়ে অনেকেই আবেদন করতে পারছিলেন না। সেই বিষয়টাও খতিয়ে দেখার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের। এমনকি স্কুল সার্ভিস কমিশনের নতুন করে নিয়োগের পরীক্ষার দিনক্ষণ পিছিয়ে দেওয়ার দাবি তোলে চাকরিহারারা।
সেই দাবি নিয়ে রাজ্য ও এসএসসিকে ভেবে দেখার বার্তা দিল আদালত। যার জন্য আগামী ৩১ শে ডিসেম্বর পর্যন্ত যোগ্য প্রার্থীরা নিয়মিত ক্লাসে হাজিরা দিয়ে পড়াতে পারবে। সেই শুনানিতে অভিযোগ ওঠে ফের রাজ্যে অযোগ্যদের চাকরিতে নিয়োগের চেষ্টা করছে। সেই নিয়ে রাজ্য সরকার ও এসএসসি কমিশনের ওপর তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন সুপ্রিম কোর্টের ভারপ্রাপ্ত বিচারপতি সঞ্জয় কুমার।
এ প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কুমার জানিয়েছেন, “আপনারা এখনও নিজেদের পছন্দের অযোগ্য প্রার্থীদের চাকরিতে ঢোকাতে চাইছেন? এটা লজ্জাজনক। ট্রুলি শকিং। আমরা আগেই বলেছি, কোনওভাবেই কোনও অযোগ্য ব্যক্তিকে নিয়োগ পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হবে না।”







