ফিরোজাবাদের এক গ্রামে ঘটল চাঞ্চল্যকর ঘটনা। গভীর রাতে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে বেরোনো এক কিশোরীর ক্ষতবিক্ষত দেহ মিলল পরদিন সকালে। তদন্তে উঠে আসে ভয়ঙ্কর তথ্য নিজের মেয়েকেই হত্যা করেছেন বাবা, আর সেই মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে মেয়ের প্রেমিককেও।
পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার রাতে বাড়ি থেকে বাবার মোবাইল নিয়ে বের হয়েছিল ১৭ বছরের ওই কিশোরী। তাকে ক্ষেতে প্রেমিকের সঙ্গে দেখতে পান বাবা। রাগের মাথায় কুড়াল দিয়ে একের পর এক ১৩টি আঘাত করেন তিনি। এর মধ্যে ছ’টি আঘাত গলায়, বাকি সাতটি শরীরের বিভিন্ন অংশে লাগে। মেয়ের প্রেমিক তখন সেখান থেকে পালিয়ে যায়।
মঙ্গলবার সকালে গ্রামের কয়েকজন মহিলা ক্ষেতের দিকে গেলে রক্তাক্ত দেহটি চোখে পড়ে। সঙ্গে সঙ্গেই খবর যায় থানায়। প্রথমে অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলেও, কঠোর জেরা চালানোর পর অপরাধ স্বীকার করে বাবা। তারই দেখানো জায়গা থেকে উদ্ধার হয় হত্যার অস্ত্র কুড়াল।
পুলিশ জানিয়েছে, কিশোরীর প্রেমিকের সঙ্গে তার প্রায় এক বছরের সম্পর্ক ছিল। ওই যুবকের বিরুদ্ধেও ধর্ষণ এবং পকসো আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে ধর্ষণের প্রমাণ খতিয়ে দেখা হবে। মঙ্গলবার আদালতে পেশ করা হলে বিচারক অভিযুক্ত বাবা ও প্রেমিককে জেল হেফাজতে পাঠান।







