এশিয়া কাপের মঞ্চে নামছে সূর্যকুমার যাদবের ভারত, তবে এক অদ্ভুত বাস্তবতায়—প্রধান স্পনসর ছাড়াই। ‘ড্রিম ১১’ সরে যাওয়ার পর বর্তমানে টিম ইন্ডিয়ার জার্সিতে নেই কোনও বড় ব্র্যান্ডের নাম। বিসিসিআই ইতিমধ্যেই নতুন স্পনসরের খোঁজে দরপত্র আহ্বান করেছে, কিন্তু প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই শুরু হয়ে যাবে মর্যাদাপূর্ণ এশিয়া কাপ। ফলে এবারের প্রতিযোগিতায় ভারতীয় দলকে খেলতে হবে ফাঁকা বুক নিয়ে।
মঙ্গলবার বোর্ডের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগ্রহী সংস্থাগুলিকে ১২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অফেরতযোগ্য ৫ লাখ টাকা (জিএসটি আলাদা) দিয়ে আবেদন পত্র সংগ্রহ করতে হবে। বিদেশি সংস্থাগুলির ক্ষেত্রে খরচ পড়বে ৫৬৭৫ মার্কিন ডলার। দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন নির্ধারিত হয়েছে ১৬ সেপ্টেম্বর। তবে বিসিসিআই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, কোনও আবেদন বাতিল করার সম্পূর্ণ অধিকার তাদের হাতে থাকবে।
শুধু অর্থনৈতিক সামর্থ্যই নয়, আবেদনকারীর যোগ্যতার জন্য বোর্ড কিছু প্রাথমিক শর্তও বেঁধে দিয়েছে। সংস্থার শেষ তিন আর্থিক বছরে গড় বার্ষিক আয় অন্তত ৩০০ কোটি টাকা হতে হবে, অথবা সম্পদের পরিমাণ হতে হবে একই অঙ্কের। একটি সংস্থা যতই বৈচিত্র্যময় ব্যবসা করুক, তারা কেবল একটিই দরপত্র জমা দিতে পারবে। পাশাপাশি, কিছু বিশেষ ধরনের সংস্থাকে আবেদন করার বাইরে রাখা হয়েছে, যাতে ব্র্যান্ড ইমেজ অক্ষুণ্ণ থাকে।
ভারতীয় বোর্ডের আশা, আগামী তিন বছরে নতুন প্রধান স্পনসরের কাছ থেকে অন্তত ৪৫০ কোটি টাকা রাজস্ব আসবে। যদিও সেই চুক্তি কার্যকর হতে সময় লাগবে, ফলে ৯ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া এশিয়া কাপে প্রথম ম্যাচেই (১০ সেপ্টেম্বর বনাম সংযুক্ত আরব আমিরশাহি) টিম ইন্ডিয়াকে নামতে হবে স্পনসরশূন্য হয়ে। তবে মহিলাদের ওয়ানডে বিশ্বকাপের আগে নতুন স্পনসর ঠিক হয়ে যেতে পারে বলেই মনে করছে বোর্ড।







