নোবেল শান্তি পুরস্কার ঘোষণার আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি। তার মধ্যেই ফের আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের সরকারি পেজে ট্রাম্পের একটি ছবি পোস্ট করে লেখা হয়— “The Peace President”। ঠিক নোবেল ঘোষণার প্রাক্কালে এই পোস্ট ঘিরে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বিশ্বজুড়ে।
এর আগে একাধিকবারই নিজেকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের দাবিদার বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। বুধবার এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, অন্তত সাতটি যুদ্ধ থামিয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে ভারত-পাকিস্তান সংঘাতও। প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমি জানি না, পুরস্কার পাব কি না, তবে ইতিহাসে কেউ এত যুদ্ধ থামাতে পারেনি।” ট্রাম্পের মতে, তাঁর সরকারের বিদেশসচিব মার্কো রুবিয়ো বিস্তারিতভাবে জানাবেন, কীভাবে তাঁর প্রশাসন এই সব সংঘাত থামাতে সক্ষম হয়েছে।
পাকিস্তানের তরফে এই দাবিকে স্বীকৃতি দিয়েও বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। ইসলামাবাদ জানিয়েছিল, ট্রাম্পের কূটনৈতিক হস্তক্ষেপেই ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত হয়েছে। যদিও নয়াদিল্লি স্পষ্ট জানায়, দ্বিপাক্ষিক ইস্যুতে কোনও তৃতীয় পক্ষের ভূমিকা নেই।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নোবেল ঘোষণার আগে হোয়াইট হাউসের এই পোস্ট একপ্রকার রাজনৈতিক বার্তা। আন্তর্জাতিক মহলে ‘শান্তির দূত’ হিসেবে ট্রাম্পের ভাবমূর্তি ফের গড়ে তুলতেই এই পদক্ষেপ। যদিও সমালোচকদের দাবি, ট্রাম্প প্রশাসনের সময়ে সংঘাত কমলেও তার পেছনে তাঁর প্রত্যক্ষ ভূমিকা কতটা, তা নিয়েই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
এখন নজর অসলো শহরে— শুক্রবার ঘোষণা হবে ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার। বিশ্বের চোখ এখন একটাই প্রশ্নে নিবদ্ধ— সত্যিই কি ‘The Peace President’ ট্রাম্প এবার ইতিহাস গড়বেন, নাকি বিতর্কই থাকবে তাঁর একমাত্র সঙ্গী?







