‘Smoking is injurious to health. It causes cancer’- এই বাক্যটি সিনেমায়, সিগারেটের প্যাকেটে লেখা থাকে। আমরা সকলেই জানি যে ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ঠিক কতটা ক্ষতিকর। যারা নিয়মিত ধূমপান করেন তারা বিভিন্ন ধরণের বিপদের সম্মুখীন হন। কিন্তু অনেকেই মনে করেন যে, যারা ধূমপান করেন না, তাঁরা সুস্থ থাকবেন। কিন্তু সত্যিই কি তাই? সিগারেটের না খেলে কি আপনি নিরাপদ? সত্যি জানালেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে সরাসরি সিগারেট না খেলেও ক্ষতি হতে পারে আপনারও। কারণ প্যাসিভ স্মোকিং খুব ক্ষতিকারক।
বিশেষজ্ঞদের দাবি, সিগারেটের ধোঁয়ায় রয়েছে নিকোটিন, কার্বন মনোক্সাইড, ফরমালডিহাইড, বেঞ্জিন, অ্যামোনিয়ার মতো প্রায় সাত হাজারের চেয়েও বেশি বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ, যা শরীরে ক্যানসার সৃষ্টি করে। ফলে আপনার কাছাকাছি কেউ যদি ধূমপান করলে, সাবধানে থাকবেন। কারণ সেই ধোঁয়া নিঃশ্বাসের মাধ্যমে আপনার শরীরে যায়, তাহলে ক্ষতি হবে আপনারও।
ক্ষতি-
1. প্যাসিভ স্মোকিং-এ বিষাক্ত ধোঁয়ার কণা শ্বসনতন্ত্রকে সংক্রমিত করে। ফলে ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
2. গর্ভবতী নারীর আশেপাশে ধূমপান করলে তার প্রভাব গর্ভস্থ শিশুর উপরও এসে পড়ে। এমনকী ভবিষ্যতে সেই শিশু ফুসফুসের সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারে।
3. ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ বা সিওপিডি(COPD)-এর ঝুঁকি বেশ কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয় প্যাসিভ স্মোকিং। এছাড়াও অ্যাজমা, শ্বাসকষ্টের মতো নানা সমস্যা বাড়তে থাকে।
4. প্যাসিভ স্মোকিং হৃদরোগ, স্ট্রোক, ফুসফুসের ক্যানসার প্রভৃতির ঝুঁকি কয়েকগুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে নিয়মিত যদি আপনি স্মোকারের কাছাকাছি থাকেন, তাহলে ঝুঁকির মধ্যে পড়বেন।
প্রতিরোধ-
1. মাস্ক পরুন। রাস্তাঘাটে চলাফেরার সময় কেউ ধূমপান করলে সেখান থেকে দূরে থাকুন।
2. শিশু ও বয়স্কদের কাছাকাছি কেউ ধূমপান করলে তাকে সরাসরি নিষেধ করুন।
3. প্যাসিভ স্মোকারদের ক্ষেত্রে সরাসরি এই ধোঁয়া শ্বাসনালীর মাধ্যমে শরীরের চলে আসে। ফলে, ক্ষতির সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই, স্মোকারদের থেকে দূরে থাকুন।
4. নিজেকে সুস্থ রাখতে চাইলে আশেপাশে কেউ ধূমপান করলে তাকে বারণ করুন। অথবা সেই স্থান থেকে সরে দাঁড়ান।







