অফবিট

সুস্থ থাকতে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখুন কলা

আপনি কি কলা খেতে ভালবাসেন? যদি হ্যাঁ হয় তবে এই প্রতিবেদন পড়ার পর আপনার ভালবাসা বাড়বে বই কমবে না। আর যদি না হয় তবে কলার প্রতি আপনার দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে বাধ্য। মুহূর্তের মধ্যে এনার্জি পেতে কলার জুরি মেলা ভার। কিন্তু এছাড়াও যে প্রচুর গুন রয়েছে কলায়। জেনে নিন কলার গুনাবলী-

 

১. কলার মধ্যে থাকা প্রচুর পরিমান আয়রন রক্তে হিমোগ্লোবিন উত্‍পাদনে সাহায্য করে। ফলে অ্যামিনিয়ার সম্ভবনা কমে। এমনকী, অ্যামিনিয়া সারাতেও সাহায্য করে কলা।

২. কলার প্রাকৃতিক শর্করা যেমন গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ এবং সুক্রোজ দ্রুত শক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। ব্যায়ামের পরে বা ক্লান্তিরোধ করতে কলা খেলে তাড়াতাড়ি উপকার পাবেন।

৩. কলায় থাকে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন বি যা স্নায়ুকে শান্ত রাখে। মানসিক চাপ কাটাতে ফ্যাটি ফুডের থেকে বেশি প্রয়োজনীয় কলা। কার্বোহাইড্রেটে পরিপূর্ণ হওয়ায় কলা রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রেখে স্নায়বিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।

৪. কলা প্রাকৃতিক শর্করা,ভিটামিন , কার্বোহাইড্রেট এবং খনিজ সমৃদ্ধ একটি ফল। মস্তিষ্কের কার্যকারিতার জন্য ভিটামিন বি৬, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য ভিটামিন সি,হজমের সমস্যা দূর করার জন্য ফাইবার এবং রক্তচাপ ও হৃদরোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য পটাসিয়াম পাওয়া যায় কলায়।এছাড়া কলায় থাকা ম্যাগনেসিয়াম হাড় এবং পেশীর খেয়াল রাখে। কলায় পটাসিয়াম, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি৬ এবং ডায়েটারি ফাইবারসহ প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণ রয়েছে।

৫. কলায় থাকা ফাইবার, বিশেষ করে পেকটিন নিয়মিত মলত্যাগে সহায়তা করে। কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ করার পাশাপাশি সামগ্রিক পরিপাক স্বাস্থ্য ভালো রাখে ফলটি।এছাড়াও যাদের হজমের সমস্যা রয়েছে তারা রোজ কলা খেলে উপকৃত হবেন।

৬. কলায় থাকা ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের বার্ধক্যজনিত প্রভাবের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখে। ফলে ত্বক থাকে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।

৭. স্বাস্থ্যকর উপায়ে মিষ্টি তৈরীতে কলার জুরি নেই।স্মুদি, ওটমিল বা বেকড খাবারে প্রাকৃতিক মিষ্টি হিসেবে ব্যবহার করা হয় পাকা কলা। শিশুর খাবার মিষ্টি করতেও এর বিকল্প নেই।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Adblock Detected

Please Turn Off Your Ad Blocker.