তীব্র তাপপ্রবাহের অবসান ঘটিয়ে বর্তমানে স্বস্তির বৃষ্টিতে ভিজছে রাজ্য। রোজই ঝড়-বৃষ্টি, আর তার জেরে তাপমাত্রা কমেছে দক্ষিণবঙ্গ সহ গোটা রাজ্যে। চলতি সপ্তাহে আর তাপমাত্রা বাড়ার খবর নেই। যদিও রবিবারের পর বৃষ্টি কমলে ফের চড়তে পারে পারদ, বলে জানা যাচ্ছে।
এই আবহে এবার গরমের ছুটি বাতিল করে ফের স্কুল খোলার দাবি বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি এবং পশ্চিমবঙ্গ প্রধান শিক্ষক সমিতির।
গরম কমতেই গরমের ছুটির পাট চুকিয়ে স্কুল খোলার দাবি। এ ব্যাপারে শিক্ষা দফতরকে প্রস্তাবও পাঠিয়েছে বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি এবং পশ্চিমবঙ্গ প্রধান শিক্ষক সমিতি। দুই শিক্ষক সংগঠনেরই দাবি, এক দফায় এত লম্বা ছুটি না দিয়ে আপাতত স্কুল খোলার ব্যবস্থা করা হোক। কিছুদিন পর ফের অধিক গরম পড়লে তখন নাহয় ছুটি দেওয়া হোক।
এই বিষয়ে বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আনন্দ হান্ডার কথায়, “ঝড়বৃষ্টির জেরে গরম অনেক কমেছে। তাই আপাতত স্কুল খুলে দেওয়াই যায়। ফের মাত্রাতিরিক্ত গরম পড়লে ছুটি দিয়ে দেওয়া যেতে পারে।”
পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ প্রধান শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণাংশু মিশ্র বলেন, ‘এবার থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে পাঠ্যক্রম বদলেছে। সিমেস্টার পদ্ধতি চালু হয়েছে। এই আবহে গরম কমলেও স্কুল বন্ধ রাখলে স্টুডেন্টদের পড়াশোনার ক্ষতি হবে।’
প্রসঙ্গত, রাজ্যের পড়ুয়াদের তীব্র তাপপ্রবাহ থেকে বাঁচাতে এবার প্রায় একমাস এগিয়ে আনা হয় গরমের ছুটি। গত ২২ এপ্রিল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে আগাম গরমের ছুটি ঘোষণা করেছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এই গরমের জেরে যাতে ছাত্রছাত্রীরা অসুস্থ না হয়ে পড়ে সেই কারণেই তড়িঘড়ি পদক্ষেপ নেওয়া হয়। আগামী ৩ জুন পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল।







