ছাদ ফুটো হয়ে পড়ছে জল,ভিজছে আসবাব,জল পড়ছে এজলাসে, ভাঙাচোরা ছাদের ছবি দেখলে রীতিমতো আতঙ্কিত হতে হয়! বিপজ্জনক বাড়ির তকমা নিয়ে মাথার ওপর ছাদ ভাঙ্গার আতঙ্ক নিয়ে কাজ করে চলেছেন সরকারি দপ্তরের কর্মীরা।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সদর শহর তমলুকের আবাসবাড়ি এলাকায় দুটি বেসরকারি বিল্ডিং এ দীর্ঘদিন ধরে ভাড়ায় রয়েছে রাজ্য সরকারের চারটি দপ্তর। উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তর, উপভোক্তা আদালত, কৃষিজ বিপণন দপ্তর, এবং কৃষি উপ-অধিকর্তার অফিস। দীর্ঘদিন ধরে অফিসগুলি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন না করার ফলে চারিদিকে আগাছায় ভরে গেছে। তার উপর বিল্ডিং গুলোতে চাঙর ভেঙে পড়ছে। বিল্ডিংয়ে দেখা দিয়েছে ফাটল। তাম্রলিপ্ত পৌরসভার পক্ষ থেকে ফ্লেক্স টাঙিয়ে সতর্ক করা হয়েছে অফিসের আধিকারিক থেকে কর্মীদের এবং অফিসে আসা সাধারণ মানুষদের। ফ্লেক্স এ লেখা রয়েছে “সাবধান, বিপজ্জনক বাড়ী। নির্দেশ মোতাবেক তাম্রলিপ্ত পৌরসভা।”
এই বাড়িগুলি যে বিপজ্জনক এবং ঝুঁকিপূর্ণ তা আধিকারিক থেকে কর্মীরা সবাই জানে। দপ্তরের আধিকারিকরা জেলাশাসক এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের জানিয়েছেন। তাদের নির্দেশমত তমলুক শহরের বিভিন্ন জায়গায় সরকারি এবং বেসরকারিভাবে জায়গা খোঁজার কাজ চলছে। উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তরের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডাইরেক্টর কৌশিক ভট্টাচার্য বলেন ইতিমধ্যে অফিসের জন্য ঘর খোঁজা চলছে। দীর্ঘদিন ধরে আমরা এই বিপদজনক ঘরের মধ্যেই কাজ করে চলেছি।উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তর যেমন রয়েছে তেমনি পাশের রুমেই রয়েছে উপভোক্তা আদালত। যে রুমে রীতিমতো ক্রেতা বিক্রেতা দের নিয়ে আদালত বসে। যেকোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।অফিসে অন্যান্য কর্মী যারা রয়েছে তাদের মধ্যেও আতঙ্কের ছায়া বিদ্যমান। তাম্রলিপ্ত পৌরসভার চেয়ারম্যান দীপেন্দ্র নারায়ণ রায় জানিয়েছেন আবাসবাড়ি এলাকায় ওই দুটি বাড়ির অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। তাই আমরা অফিসগুলিকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছি যাতে দ্রুত ওই ঘর গুলি ছেড়ে দেয়। বিপজ্জনক বাড়ি থেকে সরকারি দপ্তরগুলো কত তাড়াতাড়ি সম্ভব অন্যত্র সরে যায়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।






