জন্মাষ্টমী উপলক্ষে লিলুয়ায় তিন দিনব্যাপী ‘হনুমান কথা’-র আয়োজন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাগেশ্বরধামের ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী। তাঁর সঙ্গে একই মঞ্চে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকেও। সেখান থেকেই ফের বড় আকারে গীতাপাঠের আহ্বান জানানো হয়।
গত বছরের ডিসেম্বরে ব্রিগেডে ৫ লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী। এবার সেই কর্মসূচিকে আরও বড় করার বার্তা দিয়ে ১০ লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের ডাক দেওয়া হয়েছে।
এবারের জন্মাষ্টমীও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার অধিকাংশ জায়গায় পালিত হচ্ছে শ্রীকৃষ্ণের জন্মোৎসব। পঞ্জিকা অনুযায়ী, কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথি শুরু হয়েছে ৪ সেপ্টেম্বর রাত ২টা ২৫ মিনিটে এবং শেষ হবে ৫ সেপ্টেম্বর রাত ১২টা ১৩ মিনিটে। তাই মধ্যরাতের জন্মলগ্ন ঘিরে ভক্তদের মধ্যে বিশেষ উৎসাহ রয়েছে।
ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথির মধ্যরাতে মথুরার কারাগারে দেবকী ও বাসুদেবের অষ্টম সন্তান হিসেবে জন্ম নেন শ্রীকৃষ্ণ। কংসের অত্যাচার থেকে তাঁকে রক্ষা করতে বাসুদেব গোপনে কৃষ্ণকে বৃন্দাবনে নন্দরাজের পরিবারে রেখে আসেন। সেই পৌরাণিক কাহিনিকে স্মরণ করেই দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে জন্মাষ্টমী।
তবে কোনও কোনও বৈষ্ণব সম্প্রদায় বা মন্দিরে স্থানীয় রীতি অনুযায়ী ৫ সেপ্টেম্বরও জন্মাষ্টমী পালিত হতে পারে। ফলে উপবাস ও বিশেষ আচার পালনের ক্ষেত্রে স্থানীয় পঞ্জিকা ও মন্দিরের রীতি অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।






