বাংলার পেসার মহম্মদ শামি যেন বারবার একই গল্পের শিকার—পারফর্ম করেও উপেক্ষা। রনজি ট্রফিতে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা সত্ত্বেও ফের জায়গা হল না ভারত এ দলে। অথচ চোট সারিয়ে দীর্ঘ বিরতির পর প্রত্যাবর্তনেই অধিনায়কত্ব পেলেন ঋষভ পন্থ। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্টের আগে ভারত এ দলের ঘোষণা ঘিরে তাই নতুন বিতর্ক। ক্রিকেটপ্রেমীদের প্রশ্ন—শামির এই বঞ্চনা কি নিছক টেকনিক্যাল সিদ্ধান্ত, নাকি অন্য কিছু?
ইংল্যান্ডে টেস্ট চলাকালীন চোট পেয়ে মাঠের বাইরে ছিলেন পন্থ। এবার ফিট সার্টিফিকেট হাতে পেয়েই তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে ভারত এ দলের নেতৃত্ব। ৩০ অক্টোবর থেকে শুরু দুইটি চারদিনের ম্যাচে পন্থকে দেখা যাবে নেতৃত্বে, সহ-অধিনায়ক সাই সুদর্শন। দ্বিতীয় দলে আছেন বাংলার দুই তারকা আকাশ দীপ ও অভিমন্যু ঈশ্বরণ। তবে বাদ পড়েছেন শামি—যিনি মাত্র কয়েকদিন আগেই উত্তরাখণ্ডের বিরুদ্ধে ৭ উইকেট নিয়ে বাংলা জিতিয়েছেন।
প্রধান নির্বাচক অজিত আগরকর আগেই জানিয়েছিলেন, “ফিট থাকলে শামি দলে ফিরবেন।” কিন্তু ফিটনেস ও পারফরম্যান্স—দু’টিই প্রমাণ করার পরও ডাক না পাওয়া নির্বাচকদের বক্তব্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন তুলছে ক্রিকেট মহল। অনেকেই মনে করছেন, সাম্প্রতিক সময়ে নির্বাচক কমিটির সিদ্ধান্ত নিয়ে মন্তব্যই শামির বিপক্ষে কাজ করেছে।
অন্যদিকে সরফরাজ খানকেও দেখা যায়নি স্কোয়াডে, যদিও ঘরের মাঠে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্টে তিনি রান করেছিলেন। অভিজ্ঞদের ছেঁটে তরুণদের সুযোগ দেওয়া ভালো হলেও, পারফর্মারদের বঞ্চনা যে দলের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে, সেটাই এখন বড় আশঙ্কা। পন্থের প্রত্যাবর্তন যতটা আশার, শামির অনুপস্থিতি ততটাই প্রশ্নের।







