ভারতের ক্রিকেট ইতিহাসে নতুন অধ্যায় রচনা করলেন দীপ্তি শর্মা। ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত মহিলাদের এক দিনের বিশ্বকাপে তাঁর অলরাউন্ড দাপটে চ্যাম্পিয়ন হলো ভারত। ব্যাটে-বলে সমান দক্ষ এই ক্রিকেটার যেন আধুনিক যুগের যুবরাজ সিং— পারফরম্যান্সে ছাপিয়ে গেলেন পুরুষ সহকর্মীদেরও। ২২ উইকেট ও ২০০-র বেশি রান! বিশ্বকাপের এক সংস্করণে এমন পরিসংখ্যান আর কোনও ভারতীয়ের ঝুলিতে নেই। তাই এখন গোটা দেশ জুড়ে একটাই নাম— ‘ডিএসপি দীপ্তি’।
২০১৭ সালের বেদনার ফাইনাল থেকে শুরু করে আজকের গৌরব— দীপ্তির পথটা সহজ ছিল না। সমালোচনার তির, প্রশ্নচিহ্ন, সন্দেহ— সবকিছুকে পেরিয়ে নিজের যোগ্যতায় জায়গা পাকা করেছেন তিনি। এবার যখন কাপ উঠল ভারতের হাতে, তখন দীপ্তির চোখেমুখে ফুটে উঠল আত্মবিশ্বাসের দীপ্তি। তিনি জানালেন, “আমি শুধু নিজের খেলা উপভোগ করতে চাই। এই সাফল্য আমার বাবা-মাকে উৎসর্গ করছি।”
দীপ্তির সাফল্য শুধু ট্রফি জয়ের গল্প নয়, এটি নারী ক্রিকেটের সামাজিক পুনর্জাগরণের প্রতীক। এতদিন ‘ডিএসপি’ মানে ছিল মহম্মদ সিরাজ; কিন্তু এখন ভারতীয় ক্রিকেটে নতুন ডিএসপি— দীপ্তি শর্মা। যিনি দেখিয়ে দিলেন, শর্মাজি কি বেটি শুধু মেধাবী নয়, তিনি ইতিহাস গড়তেও জানেন।
এই জয় তাই শুধু এক দলের নয়, এক প্রজন্মের। দীপ্তির হাত ধরে ভারতের মেয়েরা দেখিয়ে দিল— প্রতিভা ও পরিশ্রম লিঙ্গ দেখে না। আর সেই আলোয় আজ উজ্জ্বল ভারতের ক্রিকেট আকাশ।







