বঙ্গ-বিজেপির অভ্যন্তরে অশান্তির আগুন। এবার বিরোধী দলনেতার কেন্দ্র নন্দীগ্রামেই শুধু বিদ্রোহ নয়, গতকাল পরপর ইস্তফা দিলেন বিজেপির পুরনো অনেক নেতাও। তালিকায় অন্তর্ভুক্ত আছেন ব্লক সহ সভাপতি থেকে শুরু করে মণ্ডল সম্পাদক ও এলাকার পরিচিত আদি গেরুয়া শিবিরের নেতারা। ইস্তফা দেওয়ার পরবর্তীতে বিজেপি নেতাদের অভিযোগ,’যাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে গেরুয়া শিবিরে এসেছিলাম, সেই অত্যাচারীরাই এখন আমাদের মাথার ওপরে বসে বিজেপি চালাচ্ছে।’
অন্যদিকে, শুভেন্দুর রাজ্য সভাপতি হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে বাড়িয়ে দিলেন সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। আজ এর প্রেক্ষিতে দিলীপের উবাচ, ‘শুভেন্দু অধিকারী যদি রাজ্য সভাপতি হন, ওয়েলকাম করব আমরা। পার্টি যাকে করবে, সেই আমাদের নেতা। যিনিই এই পদে বসবেন, তাকে সঠিক কারণেই বসাবেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।’
উল্লেখ্য, নন্দীগ্রামের গোকুলনগরে বিজেপি অফিসে সাংবাদিক বৈঠকে ইস্তফার কথা জানিয়ে জয়দেব দাস এবং বটকৃষ্ণ দাস জানান, দল ছাড়লেও তাঁরা এখনই অন্য কোনও দলে যোগদান করছেন না। বিজেপির সভায় যোগ না দেওয়ার পাশাপাশি দল বহির্ভূত কাজের অভিযোগে গত ১২ অক্টোবর জয়দেব দাস এবং বটকৃষ্ণ দাসকে শোকজ করেন বিজেপি জেলা সভাপতি। এবং গত সপ্তাহে হওয়া বিজয়া সম্মিলনীতেও তাঁদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।
অপরদিকে, বঙ্গ বিজেপির নয়া বিরোধী দলনেতা সম্ভবত হতে চলেছেন মনোজ টিগ্গা। সুকান্ত মজুমদারকে কেন্দ্রীয় সম্পাদক বা সংসদীয় দলের কোনও পদ দেওয়া হতে পারে, এমনটাই সূত্রের খবর। সাংগঠনিক রদবদল নিয়ে আপাতত এই সিদ্ধান্তগ্রহণই হয়েছে।







