কানাডায় পরপর তিন দফা গুলিবর্ষণের ঘটনার পর ফের শিরোনামে কপিল শর্মা। গত আগস্টে ভ্যাঙ্কুভারে তাঁর নতুন উদ্বোধিত বিলাসবহুল ক্যাফেতে প্রথম হামলা চালায় খলিস্তানি গোষ্ঠী। কয়েক রাউন্ড গুলিতে ঝাঁজরা হয়ে যায় রেস্তরাঁর কাচের দেওয়াল। এর কিছুদিন পরে বিষ্ণোই গ্যাং আবারও হামলা চালায় সেই ক্যাফেতে। দুই নিষিদ্ধ গোষ্ঠীর দাবি-দাওয়া আলাদা হলেও লক্ষ্যবস্তু ছিলেন এক—কৌতুক অভিনেতা কপিল শর্মা। শেষ পর্যন্ত এই ঘটনা নিয়ে নড়ে চড়ে বসতে বাধ্য হয় কানাডা প্রশাসন। এমনকি বিষয়টি উঠে যায় কানাডার পার্লামেন্টেও।
সাম্প্রতিক সময়ে নতুন ছবি ‘কিস কিসকো প্যায়ার করু ২’-এর ট্রেলার লঞ্চে হাজির হয়ে এই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন কপিল। তাঁর কথায়, “ঘটনাটা ভ্যাঙ্কুভারের। সম্ভবত তিন রাউন্ড গুলি চালিয়েছিল আততায়ী। আমার মনে হয়েছিল, এহেন পরিস্থিতি সামলানোর মতো প্রস্তুতি তখন কানাডা পুলিশের ছিল না। তাই বিষয়টি নিয়ে সেখানকার রাজনৈতিক মহলেও প্রবল আলোড়ন পড়ে। এমনকি কানাডার পার্লামেন্টে পর্যন্ত এই ঘটনার আলোচনা হয়।” কপিলের মতে, এই গুলিকাণ্ড কানাডা সরকারকে নিরাপত্তা ব্যবস্থার বলয় আরও শক্ত করতে বাধ্য করেছে।
তবে ঘটনার পর কপিলের ব্যক্তিগত জীবন ও ব্যবসায় কী প্রভাব পড়েছে? অবাক করা উত্তর দিলেন অভিনেতা। তাঁর কথায়, “প্রত্যেকবার হামলার পর আমাদের ক্যাফের ব্যবসা উলটে ভাল হয়েছে। আগের তুলনায় আরও বেশি মানুষ আসছেন। ঈশ্বর যখন পাশে থাকেন, সব কিছুই কোনও না কোনওভাবে ঠিকঠাক এগোয়।”
মুম্বইয়ে নিজের অভিজ্ঞতার তুলনায় ভিন্ন বার্তাও দিলেন কপিল। তিনি জানান, “মুম্বই এখনও দেশের অন্যতম নিরাপদ শহর। এখানে কোনও দিন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগিনি। পুলিশ ও প্রশাসন অত্যন্ত সতর্ক।”কানাডার ‘অভিশপ্ত পর্ব’-এর স্মৃতি এখনও তাজা হলেও কপিলের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট—হতাশ নয় তিনি, বরং আরও দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাওয়ার মনোভাবই তাঁর ভরসা।







