শিলান্যাসের ইমামের পর , এবার বিতর্ক হুমায়ূনের বাউন্সার নিয়ে । পূর্বেই জানা গিয়েছে , ৬ ডিসেম্বর , মসজিদের শিলান্যাসের জন্য , যে দুজন ইমাম সৌদি থেকে এসেছিল বলে দাবী করা হয়েছিল , আদতে তারা , এ রাজ্যেরই বাসিন্দা । আর এবারও ঠিক তেমনই অভিযোগ , হুমায়ূনের বাউন্ডারদের বিরুদ্ধে । হুমায়ূনের ৮ বাউন্সার , যারা হায়দ্রাবাদ থেকে এসেছিল বলে দাবী করা হয়েছিল , তারা নাকি আদতে কলকাতার । এই ঘটনায় , হুমায়ূন একরাশ ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে জানিয়েছেন , তার বিরুদ্ধে চক্রান্ত চলছে , প্রতারিত হয়েছেন তিনি ।
তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হয়েছেন হুমায়ূন । আর তার পরেই , বারংবার নিয়ে প্রাণনাশের আশঙ্কার কথা প্রকাশ করেছেন হুমায়ূন । প্রাণ নাশের আশঙ্কায় আগামী তিনমাসের জন্য তৃণমূলের সাসপেন্ডেড বিধায়ক হেলিকপ্টারও ভাড়া করেছেন । এর পাশাপাশি নিরাপত্তার জন্য এক শিল্পপতি তাকে ৮ জন হায়দরাবাদের বাউন্সার পথাচ্ছিলেন বলে জানা গিয়েছিল । দিন কয়েক আগে তারা এসেও পৌঁছান , এবং হুমায়ুনের পাশে দেখাও যায় বাউন্সার দের। কিন্তু এবার সামনে এলো বিস্ফোরক তথ্য। ওই আটজন বাউন্সার নাকি হায়দরাবাদের নয় , বরং কলকাতারই! আর এই বিষয়ট প্রকাশ্যে আসতেই ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন হুমায়ুন। এমনকি বাউন্সাররা কলকাতার হওয়ায় তাদের কাজ থেকে হুমায়ূন অব্যাহতি দিয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে ।
হুমায়ূনের কথায় , “এত বৃহত্তর চক্রান্ত চলছে যে আমি খেই হারিয়ে ফেলছি। যাঁদের হায়দরাবাদি বলে জানতাম, পরে জানলাম তাঁরা সকলেই কলকাতার।”
হুমায়ূন জানান , তিনি এমনিই কিছু কারণে , যোগাযোগ করেন হায়দরাবাদের সংস্থার সাথে । যোগাযোগ করার সাথে সাথেই চক্ষু চড়কগাছ হুমায়ূনের । তিনি জানতে পারেন , নথির সমস্যার কারণে বাউন্সাররা নাকি বিমানবন্দরেই আটকে রয়েছেন । এবং তার সাথে থাকা বাউন্সারা নাকি আদতে কলকাতার । গোটা বিষয় টাকেই ষড়যন্ত্র বলে দাবী করেছেন হুমায়ূন ।







