আশাকর্মীদের বিক্ষোভে উত্তাল স্বাস্থ্যভবন। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়ায় আন্দোলনকারীরা। তাদের সমাবেশ পূর্ব ঘোষিত হওয়ায়, আগে থেকেই পুলিশ মোতায়েন ছিল স্বাস্থ্যভবন চত্বরে। স্বাস্থ্যভবনের বাইরে লোহার দূর্গ, ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে রেখেছিল পুলিশ। সেই ব্যারিকেড পেরিয়ে এগোতেই পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয় বিক্ষোভকারীদের। এরপর আকশন মোডে আসে পুলিশ। ধস্তাধস্তি চলাকালীন স্বাস্থ্যভবনের সামনের রাস্তায় বসে পড়ে আশাকর্মীরা। এক আশাকর্মী বলেন, “যতই ধরপাকড় করে করুক, দেখি সরকার আমাদের জন্য কী করে। আমরা এখানেই বসে থাকব”।
বেতন বাড়ানোর দাবিতে অনেকদিন ধরেই আন্দোলনে সামিল হয়েছেন আশাকর্মীরা। তাদের বর্ধমান বেতন ৫২৫০ টাকা , অন্তত ১৫ হাজার টাকা বেতন বাড়ানোর দাবি নিয়ে এদিন আন্দোলনে সামিল হয়েছেন তারা। আন্দোলন চলাকালীন বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীদের পুলিশ গাড়িতে তোলে। বিক্ষোভের কারণে বন্ধ করে দেওয়া হয় রাস্তা। এরপর পুলিশের গাড়ির ভিতর দাঁড়িয়েই এক আশাকর্মী বলেন, “আমরা ৮০ হাজার আশাকর্মী রয়েছি। ২০২৬ সালে আমরা দেখে নেব। আমরা জবাব চাই, আমরা চুরি করিনি, ন্যায্য আদায় করতে এসেছি।” অন্য এক বিক্ষোভকারী বলেন , “আমরা তো চোর ডাকাত নই, পুলিশে তুলে নিয়ে যাচ্ছে, আমাদের ন্যায্য অধিকারটা বুঝে নিতে এসেছিলাম বলে।”
স্বাস্থ্যভবনের পাশাপাশি শিয়ালদা স্টেশনের সামনেও বিক্ষোভ দেখাতে থাকে আরেক অংশের আশাকর্মীর দল। কলকাতা সহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন জেলা থেকেও আশাকর্মীরা আসেন। বর্ধমান থেকে আগত এক আশাকর্মী বলেন , “সারা রাস্তায় মাঝে মাঝেই বাধার মুখে পড়েছি। স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম আমাদের আজকে ডেকেছিলেন। বেতন বৃদ্ধির দাবি নিয়ে এসেছিলাম। দাবি রেখেছিলাম ৫ হাজার ২৫০ টাকার বেতন ১৫ হাজার টাকা করা হোক!” শিয়ালদহ স্টেশনের বাইরে যেতে দেওয়া হয়নি তাদের। স্টেশন মধ্যেই আরপিএফ পুলিশ তাদের আটক করে।







