৩২ ঘন্টা পার হয়ে যাওয়ার পর , দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু পৌঁছলেন আনন্দপুরের দগ্ধ গোডাউনে । এলাকা ঘুরে দেখে , ডিজির সঙ্গে কথাও বলেন । পাশাপাশি ২৬ তারিখ বারংবার শুধু যে প্রশ্ন উঠেছে যে এত বড় ঘটনা ঘটে গেলেও , দমকল মন্ত্রীর দেখা নেই কেনো ! এদিন সেই প্রশ্নেরও উত্তর দেন সুজিত ।
রবিবার রাত ১টার কিছু সময় পরেই আগুন লাগে আনন্দপুরে । ঘটনার প্রায় ১৫ ঘন্টা পর হয়ে যাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পৌঁছান বিদুৎ মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস , কিন্তু দেখা মেলেনি সুজিত বসুর। যদিও ২৬ তারিখ সন্ধ্যেয় অন্য একটি অনুষ্ঠানে বেরোনোর সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দমকল মন্ত্রী জানান, তিনি ভোর ৩ টে থেকেই যোগাযোগ রেখেছেন কন্ট্রোল রুমের উদ্দেশ্যে ।
এরপর প্রায় ৩২ ঘন্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর , মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় আনন্দপুরে জান সুজিত বসু । ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাংবাদিকদের মুখোমুখিও হন দমকলমন্ত্রী । সেখানে সাংবাদিকদের তিনি বলেন , “অনেক বেশি রাতে আগুন লাগে। ৩৫ হাজার স্কোয়ার ফিটের মতো এলাকা। এখানে মোমো তৈরির কারখানা ছিল, একটা ডেকরেটর্সের গোডাউন ছিল। পর্যায়ক্রমে ১২ টা ইঞ্জিন পাঠানো হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এখনও গাড়ি রাখা, কারণ প্রচুর পকেট ফায়ার ছিল। এটা জতুগৃহ! প্রচুর দাহ্য পদার্থ মজুত ছিল। রাত তিনটেয় প্রথম খবর পাই।”
তিনি আরো বলেন , “কালকের দিনটা প্রজাতন্ত্র দিবস ছিল, অনেকে অনেকে জায়গায় ব্যস্ত ছিলাম। তা সত্ত্বেও এখানে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কাল সারা রাত লোক ছিল।”
সুজিত বসু আরো বলেন , “ডিজির সঙ্গে কথা বলেছি। অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থার মতো এখানে কিছু ছিল না। আমরা এখানে সেরকম কিছু দেখতে পাইনি। আমাদের ফায়ার অডিট হয়। এখানে ফায়ার অডিট হয়েছিল কিনা, এটা আমাদের দেখার দরকার রয়েছে। সেটা তদন্ত করব। প্রত্যেকটা কেসে তদন্ত হয়। এখানে ফরেনসিক টিম আসবে। এফআইআর হবে, তদন্তও হবে।”







