রাজ্যে আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা আইনি জটিলতার অবসান ঘটাল কলকাতা হাইকোর্ট। আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়-এর দায়ের করা আপত্তি খারিজ করে দিয়ে আদালত স্পষ্ট বার্তা দিল—নির্বাচনী প্রস্তুতির স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এই প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রাজ্যের আইনজীবীর উদ্দেশে প্রশ্ন তোলেন, প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তির ভিত্তি কী? তাঁর পর্যবেক্ষণ, প্রাক্তন বিচারপতিরা সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে তাঁদের দায়িত্ব পালন করবেন, ফলে এই প্রক্রিয়ায় অযথা বাধা সৃষ্টি করার কোনও যুক্তি নেই। আদালতের এই অবস্থান কার্যত নির্বাচনী ব্যবস্থাকে আরও নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ রাখার দিকেই ইঙ্গিত করছে। এদিন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। তিনি জানান, ভারত নির্বাচন কমিশন-এর আধিকারিকদের সম্ভাব্য হস্তক্ষেপ নিয়ে রাজ্য সরকারের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও কারণ নেই। বরং যাঁদের এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাঁরা অভিজ্ঞ এবং তাঁদের পেশাদারিত্ব নিয়ে আদালতের কোনও সংশয় নেই বলেই স্পষ্ট করে দেন তিনি।
আদালতের এই নির্দেশের ফলে নির্বাচনের আগে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার পথে আর কোনও বাধা রইল না। বিশেষজ্ঞদের মতে, অভিজ্ঞ বিচারকদের যুক্ত করার মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়াকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে, হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ থেকে পরিষ্কার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা এবং প্রশাসনিক দক্ষতা বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। রাজ্য প্রশাসনকেও এই সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে সহযোগিতামূলক মনোভাব দেখানোর ইঙ্গিত দিয়েছে আদালত।







