পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার প্রথম অধিবেশনেই ভোট-পরবর্তী হিংসা ইস্যুতে তুমুল রাজনৈতিক সংঘাতের ছবি সামনে এল। বিজেপি সরকারের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনেই শাসক-বিরোধী তরজা চরমে ওঠে। বিরোধী দলনেতা Shovondeb Chatterjee অভিযোগ করেন, ভোট পরবর্তী হিংসার জেরে বহু তৃণমূল কংগ্রেস (All India Trinamool Congress) কর্মী এখনও ঘরছাড়া। তাঁর দাবি, বিজেপি ক্ষমতায় আসার আগে ‘ভয় নয়, ভরসা’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বেড়েছে।
বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শোভনদেব বলেন, “গণতন্ত্রের উৎসব আজ বারবার আঘাতপ্রাপ্ত হচ্ছে। মানুষ বাড়ি ফিরতে পারছেন না। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন, এমন ব্যবস্থা করুন যাতে ঘরছাড়া মানুষ নিরাপদে ফিরতে পারেন।” পাশাপাশি তিনি ‘স্বৈরাচারী প্রবণতা’ নিয়েও সরব হন।
শোভনদেবের বক্তব্য চলাকালীন বিজেপি বিধায়কদের হইচইয়ে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বিধানসভা। তবে পরিস্থিতি সামাল দেন মুখ্যমন্ত্রী Suvendu Adhikari নিজেই। তিনি দলীয় বিধায়কদের শান্ত থাকতে বলেন এবং মন্তব্য করেন, “সংবিধান বাকস্বাধীনতার অধিকার দিয়েছে, বলতে দিন।”
বিরোধী দলনেতার অভিযোগের জবাবে শুভেন্দু স্পষ্ট জানান, তাঁর কাছে ঘরছাড়া হওয়ার কোনও তথ্য নেই। তবে কেউ সত্যিই ঘরছাড়া হয়ে থাকলে তালিকা দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আপনি ডিজিপিকে তালিকা দিন। যদি ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ভোট-পরবর্তী সন্ত্রাসের অভিযোগ না থাকে, তাহলে স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক ও এসপি তাঁকে সসম্মানে বাড়ি ফিরিয়ে দেবেন। কিন্তু অভিযোগ থাকলে তাঁকে আইনের মুখোমুখি হতে হবে।”
এদিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নতুন স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন Rathindra Basu। আগামী ১৮ জুন বাজেট অধিবেশনে রাজ্যপাল R. N. Ravi ভাষণ দেবেন।







