নিজস্ব সংবাদদাতা : গণতন্ত্র রক্ষার জন্য সমস্ত বিরোধী দলের এজেন্টদের একজোট হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ডাক দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর কথায়, ‘পশ্চিমবঙ্গের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য তৃণমূল বিরোধী সমস্ত দলকেই একজোটে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। গণজোট মানে হযবরল। এই জোট মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে’।
এর আগে রাজ্যপাল থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় বাহিনী – ভিন্ন ইস্যুতে সরব হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজভবনে পিস রুম খোলা প্রসঙ্গে রাজ্যপালের প্রতিও আক্রমণ শানান তিনি। অভিষেকের উবাচ, ‘পিস রুম-কন্ট্রোল রুম করোমণ্ডল দুর্ঘটনার দিন খুললেন না কেন?’ অভিষেকের আরও প্রশ্ন, ‘নির্বাচন কমিশনের হাতে যদি রক্ত লেগে থাকে তাহলে মণিপুরে যে ৩০০ জন মারা গেল তার রক্ত কার হাতে লেগে আছে?’ তরজা চলে অবিরাম।
শুভেন্দুর মতে, ‘ভোটের আগে আনিসুর রহমান নামে একটা খুনিকে ভাইপো প্যারোলে ছাড়িয়েছিল। আদালত সেই নির্দেশ খারিজ করেছে। প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ আমার জেলাকে স্পর্শকাতর হিসেবে ঘোষণা করেছে। বিএসএফকে স্পর্শকাতর বুথের তালিকা থেকে তৈরি করে যাবতীয় প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। এবারের ভোটে মানুষ প্রতিরোধ কবে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নেবে মানুষ’।







