ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই চমকের মঞ্চ। আর ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে সেই রূপকথার নতুন নাম কেপ ভার্দে। মাত্র সাড়ে পাঁচ লক্ষ জনসংখ্যার ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নিয়েই ইতিহাস গড়ে ফেলেছে। সব হিসাব-নিকাশ উল্টে দিয়ে তারা পৌঁছে গেল রাউন্ড অফ ৩২-এ।
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের ড্র প্রকাশের পর থেকেই কেপ ভার্দেকে কার্যত বিদায়ী দল হিসেবেই ধরে নিয়েছিলেন ফুটবল বিশেষজ্ঞরা। কারণ একই গ্রুপে ছিল শক্তিশালী স্পেন, দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ে এবং ২০২২ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে আলোড়ন তোলা সৌদি আরব। এমন কঠিন গ্রুপ থেকে নকআউটে ওঠা যে কোনও নবাগত দলের কাছেই প্রায় অসম্ভব বলেই মনে হচ্ছিল।
কিন্তু মাঠের লড়াইয়ে সমস্ত পূর্বাভাস ভুল প্রমাণ করল কেপ ভার্দে। দুর্দান্ত শৃঙ্খলাবদ্ধ ফুটবল খেলে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে মূল্যবান গোলশূন্য ড্র আদায় করে তারা। এরপর স্পেনের কাছে উরুগুয়ের হারের ফলে কেপ ভার্দের নকআউটে ওঠার সমীকরণ সম্পূর্ণ হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত রাউন্ড অফ ৩২-এ জায়গা নিশ্চিত করে বিশ্বকাপের অন্যতম বড় চমক হয়ে উঠেছে তারা।
অভিজ্ঞতা বা তারকার জৌলুস নয়, দলগত ঐক্য, আত্মবিশ্বাস এবং লড়াইয়ের মানসিকতাই যে বড় শক্তি— তা আরও একবার প্রমাণ করল কেপ ভার্দে। এখন দেখার, রূপকথার এই যাত্রা নকআউট পর্বে আর কতদূর গড়ায়। ফুটবলপ্রেমীদের নজর এখন সেই ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্রের দিকেই।







