নিজস্ব সংবাদদাতা: দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির সাথে সাথে মধ্যবিত্তের মাথায় ভাজ বেড়েই চলেছে। সবজির দাম এখনোও আগুন। খাদ্যপণ্যের মূল্য এখনই কমার কোনও সম্ভাবনা নেই।
বৃহস্পতিবার, ভারত সরকারের বার্ষিক অর্থনৈতিক পর্যালোচনায় জানা গিয়েছে, এল নিনো আবহাওয়ার জন্যই ফসলের ফলন কম হয়েছে, ফলে দামও বেড়ে চলেছে।
এখন তেলের দামের থেকেও বেশি সবজির দাম। এবার চালের দামেও আগুন লেগেছে। গত ১১ বছরের মধ্যে চালের দাম সবথেকে বেড়েছে। গোটা বিশ্বের মোট চালের প্রায় ৪০শতাংশ চাল রপ্তানি করে ভারত। ফলন কম হওয়ায় আগের মত যোগান দেয়া যাচ্ছে না। চালের দামও তাই বেড়েই চলেছে। পাশাপাশি সরকার কৃষকদের কথা মাথায় রেখে ন্যূনতম সমর্থন মূল্য বাড়িয়েছে। রাইস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বিভি কৃষ্ণা রাও জানিয়েছেন, “সবচেয়ে সস্তায় চাল রফতানি করে ভারত। নতুন ন্যূনতম সহায়তা মূল্যের কারণে ভারতের চালের দাম বেড়ে গিয়েছে। ফলে, অন্যান্য সরবরাহকারীরাও এখন দাম বাড়াতে শুরু করছে।”
গত মাসে সরকার কৃষকদের ন্যূনতম সহায়তা মূল্য ৭শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। তার জন্য রপ্তানি মূল্য নয় শতাংশ বেড়ে গেছে। গত পাঁচ বছরের সবথেকে বেশি চাল রপ্তানি করেছে ভারত। বিশ্বের নব্বই শতাংশ চাল উৎপাদন হয় এশিয়াতে। বাংলাদেশ ,চীন ,ভারত ,ইন্দোনেশিয়া ,থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম এই ছয়টি দেশেই মূলত চাল উৎপাদন করা হয়। আবহাওয়ার পরিবর্তনের চালের উৎপাদন কমেছে কিন্তু দাম বেড়েই চলেছে। ওলাম ইন্ডিয়ার রাইস বিজনেসের ভাইস প্রেসিডেন্ট নিতিন গুপ্তা জানিয়েছেন, “সীমিত সরবরাহের কারণে ইতিমধ্যেই চালের দাম বেড়েছে। উত্পাদন কমে গেলে, দাম আরও বাড়বে।”
মার্কিন কৃষি বিভাগ বলেছেন, ভারত ও চীন চালের উৎপাদন কম ও মূল্য বৃদ্ধির জন্য বিশ্বের চালের ভারারে ১৭০ .২ মিলিয়ন টন এ নেমে আসতে পারে। গত ছয় বছরে যা কখনো হয়নি। এবছর কম বৃষ্টির কারণে এশিয়ার দেশগুলিতে রবিশস্যের পরিমাণ কমে গেছে। এইসব কারণে এই বিশ্বের বাজারে চালের দাম আরো বৃদ্ধি পেতে পারে প্রায় ২০% বলেই মনে করা হচ্ছে।







