প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি এবার দলীয় সংগঠনকেও আরও সক্রিয়ভাবে মজবুত করার বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার পূর্ব মেদিনীপুরের মেচেদায় জেলার ত্রিস্তর পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক বৈঠক করেন তিনি। আর সেখান থেকেই আসন্ন নন্দীগ্রাম বিধানসভার উপনির্বাচন নিয়ে বড় রাজনৈতিক বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
যদিও এখনও নিজের দলের প্রার্থীর নাম প্রকাশ করেননি শুভেন্দু অধিকারী। তবে নন্দীগ্রামের ময়দানে বড় লড়াইয়ের ইঙ্গিত দিয়ে তিনি নিশানা করেন তৃণমূলের দুই শিবিরকে। তাঁর দাবি, স্থানীয় স্তরে নির্বাচন হলে ‘কালীঘাট তৃণমূল’ এবং ‘নতুন তৃণমূল’— দুই পক্ষই প্রার্থী দেওয়ার লোক খুঁজে পাবে না।
মেচেদার সভা থেকে দলীয় নেতা-কর্মী ও পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের জনসংযোগ বাড়ানোর নির্দেশ দেন শুভেন্দু। বুথ স্তরে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার উপর জোর দেন তিনি। একই সঙ্গে দাবি করেন, পূর্ব মেদিনীপুরে বর্তমানে তাঁদের পক্ষে ৫৬ শতাংশ ভোট রয়েছে এবং আগামী দিনে তা ৭০ শতাংশে পৌঁছবে।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করে শুভেন্দু বলেন, এতদিন পুলিশ প্রশাসন ও আই-প্যাকের উপর নির্ভর করেই শাসকদল রাজনীতি করেছে। তাঁর দাবি, সরকার পরিবর্তনের পর সেই পরিস্থিতি বদলেছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যে সিন্ডিকেট রাজ ও তোলাবাজির দিন শেষ হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর—দুই কেন্দ্রেই জয় পেয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। নিয়ম অনুযায়ী একটি আসন ছাড়তে হওয়ায় নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আর সেই নির্বাচনকে সামনে রেখেই মেদিনীপুরের মাটিতে সংগঠন শক্ত করার বার্তা দিলেন তিনি।







