তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়ার পর ফের পুরনো দলকে নিয়ে মুখ খুললেন যাদবপুরের সাংসদ সায়নী ঘোষ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্কে তাঁর মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক চর্চা। একইসঙ্গে আসন্ন নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচন এবং তৃণমূলের প্রতীক বদল নিয়েও নিজের বক্তব্য জানিয়েছেন তিনি।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রসঙ্গে সায়নী বলেন, “উনি অনেক উচ্চমানের নেত্রী। আগেও অনেক ক্রাইসিস থেকে বেরিয়ে এসেছেন। এবারও পারবেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বড় মাপের নেত্রী।” তাঁর এই মন্তব্যের সুরকে সমালোচনামূলক হিসেবে ব্যাখ্যা করা হলেও, বক্তব্যটি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।
এরই মধ্যে তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে। কমিশন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরকে ‘মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘ফুটবল প্লেয়ার’ প্রতীক দিয়েছে। অন্যদিকে প্রতিদ্বন্দ্বী শিবির পেয়েছে ‘ডেমোক্র্যাটিক তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘খাম’ প্রতীক।
নতুন প্রতীক নিয়ে সায়নীর বক্তব্য, ভোটারদের কাছে নতুন প্রতীক পরিচিত করানো সহজ হবে না। ফলে পুরনো প্রতীকের পরিবর্তে নতুন প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে মানুষের কাছে পৌঁছনো একটি চ্যালেঞ্জ হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন হওয়ার কথা। এই ভোটে কোন দল বা প্রার্থীর পক্ষে জনসমর্থন যাবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট পূর্বাভাস না দিয়ে সায়নী বলেন, যারা শক্তিশালী এবং মানুষের পাশে থেকে কাজ করবে, মানুষের সমর্থন তাদেরই পাওয়া উচিত।
তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্তের পর বিষয়টি এখন আইনি ও রাজনৈতিক—দুই ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির ইতিমধ্যেই কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছে।







