ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআরকে ঘিরে দিল্লিতে বিতর্ক অব্যাহত। এবার এসআইআর-এর নোটিস পেয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তাও। তালিকায় একাধিক হেভিওয়েটের নাম থাকায় বিষয়টি আরও তাৎপর্য পেয়েছে। এই আবহেই মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্নের মুখে পড়ল নির্বাচন কমিশন। ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’-র ভিত্তিতে যে বিপুল সংখ্যক ভোটারকে নোটিস পাঠানো হচ্ছে, সেই শব্দবন্ধের সঠিক অর্থ কী, তা জানতে কমিশনের কাছে জবাব চেয়েছে শীর্ষ আদালত। একই সঙ্গে এই বিষয়ে স্টেটাস রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
কোনও ভোটারের বর্তমান তথ্যের সঙ্গে পূর্ববর্তী ভোটার তালিকায় থাকা তথ্যের তুলনা করার সময় অসঙ্গতি ধরা পড়লে, সংশ্লিষ্ট ভোটারকে ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’-র আওতায় রাখা হচ্ছে। দিল্লির খসড়া ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ৪৭ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। এর মধ্যে ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’-র কারণ দেখিয়ে প্রায় ৩৩ লক্ষ ভোটারকে নোটিস পাঠানো হয়েছে।
‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ নিয়ে অবশ্য দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্ন উঠছে। অভিযোগ, তথ্যের অসঙ্গতি বলতে ঠিক কী বোঝানো হচ্ছে, তার নির্দিষ্ট সংজ্ঞা বা মাপকাঠি এখনও স্পষ্টভাবে প্রকাশ করা হয়নি। মামলাকারীদের দাবি, অনেক নোটিসে শুধু তথ্যের অমিলের কথা উল্লেখ করা হলেও ঠিক কোন তথ্যের মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে, তা পরিষ্কার করে জানানো হচ্ছে না। ফলে নোটিস পাওয়া ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।







