গান্ধী জয়ন্তী উপলক্ষে সিপিএমের সভাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সন্ধ্যায় উত্তপ্ত হয়ে উঠল উত্তর ২৪ পরগনার বিরাটি। বণিক মোড়ে বামফ্রন্টের উদ্যোগে আয়োজিত সভায় আচমকাই হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে। মঞ্চ থেকে শুরু করে দর্শকদের জন্য রাখা চেয়ার-সহ একাধিক সামগ্রী ভাঙচুর করা হয়। হামলা ঠেকাতে গিয়ে আক্রান্ত হন সিপিএমের মহিলা কর্মী ও সমর্থকেরা। তাঁদের মধ্যে এক কর্মীর চোখে গুরুতর চোট লেগেছে বলেও অভিযোগ।
ঘটনার জন্য বিজেপিকে দায়ী করেছে সিপিএম নেতৃত্ব। বাম নেতাদের দাবি, সভার জন্য মাইক লাগানোর সময় থেকেই হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এরপরই একদল বিজেপি কর্মী সেখানে এসে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। ভাঙচুর করা হয় সভামঞ্চ, চেয়ার ও টেবিল। আক্রান্ত হন কয়েকজন এসএফআই কর্মীও।
এদিন বিরাটির বণিক মোড়ের সভায় বক্তব্য রাখার কথা ছিল বর্ষীয়ান সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী, এসএফআই নেত্রী তথা ২০২৬ সালের উত্তর দমদমের সিপিএম প্রার্থী দীপ্সিতা ধর-সহ একাধিক বাম নেতানেত্রীর। তবে হামলার জেরে নির্ধারিত সভা কার্যত পণ্ড হয়ে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় নিমতা থানার পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ঘটনার তীব্র নিন্দা করে দীপ্সিতা ধর বলেন, এই ঘটনা শমীক ভট্টাচার্যকে দেখানো উচিত। তাঁর দাবি, হামলায় কারা জড়িত, তাঁদের চিহ্নিত করা সম্ভব। গান্ধী জয়ন্তীতে বামেদের সভা হওয়াতেই বিজেপির আপত্তি বলে অভিযোগ করেন তিনি। পাশাপাশি, হামলা সত্ত্বেও একই জায়গায় ফের সভা করার হুঁশিয়ারি দেন সিপিএম নেত্রী।
যদিও সিপিএমের অভিযোগ খারিজ করেছেন উত্তর দমদমের বিজেপি বিধায়ক সৌরভ শিকদার। তাঁর দাবি, এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগ নেই। সভাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল বলে শুনেছেন তিনি। পুরো বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করে দেখছে বলেও জানান বিজেপি বিধায়ক।







