পঞ্চায়েত স্তরে কর্মরত অস্থায়ী কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা। ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত চাকরির নিশ্চয়তার পাশাপাশি তাঁদের সাম্মানিকও বাড়ানো হবে বলে আশ্বাস দিলেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। রবিবার বারাসত পুরসভার বিদ্যাসাগর মঞ্চে পঞ্চায়েত দফতরের গ্রাম রোজগার সহায়কদের রাজ্যস্তরের সাধারণ সভায় যোগ দিয়ে এই বার্তা দেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, “৬০ বছর পর্যন্ত আপনাদের কাজ হবে। সাম্মানিকও বৃদ্ধি করবে আমাদের সরকার।” একইসঙ্গে পঞ্চায়েত কর্মীদের এলাকার উন্নয়নমূলক কাজে আরও সক্রিয় হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। কর্মীদের প্রয়োজন ও চাহিদা অনুযায়ী এলাকার উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাসও দেন দিলীপ।
পঞ্চায়েত ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে কর্মীদের নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। কোনও অনৈতিক কাজের জন্য যাতে তাঁকে চাপ দেওয়া না হয়, সে বিষয়েও কর্মীদের সতর্ক করেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী।
এদিনের সভা থেকে কর্মদিবস তৈরির লক্ষ্যমাত্রার কথাও তুলে ধরেন দিলীপ। তাঁর বক্তব্য, ভিবি জি রামজি প্রকল্পে নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে রাজ্যজুড়ে প্রতিদিন ১৫ লক্ষ কর্মদিবস তৈরির লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে পৌঁছতে পারলে উন্নয়নের ক্ষেত্রে নতুন নজির তৈরি হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
দেশের মধ্যে বাংলার পঞ্চায়েত ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে প্রথম সারিতে নিয়ে যেতে কর্মীদের একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান মন্ত্রী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিধায়ক শংকর চট্টোপাধ্যায়-সহ অন্যান্য বিশিষ্টজনেরা।
পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের পূর্বতন সরকারকেও আক্রমণ করেন দিলীপ। তাঁর অভিযোগ, সাধারণ মানুষের উন্নয়নের পরিবর্তে আগের সরকার নেতাদের উন্নয়নেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছিল। বর্তমান সরকারের হাতে উন্নয়নের জন্য একাধিক প্রকল্প রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে, ককরোচ পার্টির আন্দোলন প্রসঙ্গে দিলীপের অভিযোগ, বিরোধী রাজনীতির কয়েকজন নেতা পিছন থেকে মদত দিয়ে ওই আন্দোলনকে উসকে দেওয়ার চেষ্টা করছেন।







