রাজনীতির মধ্যে দিয়েই নববর্ষ উদযাপন। ভোটমুখী বাংলার মানুষদের জন্য নববর্ষের শুভেচ্ছার মধ্যেই , থাকলো রাজনীতির আক্রমণ – পাল্টা আক্রমণ । প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী , মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় , স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ , বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন সকলেই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন , বাংলা নববর্ষের ।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, নিজের সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করে লিখেছেন , “পয়লা বৈশাখের এই বিশেষ দিনে সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা। আনন্দ ও ভ্রাতৃত্বের চেতনা সদাবিরাজমান থাকুক। আপনার সুস্বাস্থ্য ও অনন্ত সুখ কামনা করি। ভারতের সভ্যতার চেতনাকে গড়ে তোলা পশ্চিমবঙ্গের কালজয়ী সাংস্কৃতিক উদযাপনেরও এটি একটি উপলক্ষ।”
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার ভিডিও বার্তা শেয়ার করে বলেছেন , “শুভ নববর্ষে সকলকে শুভনন্দন জানাচ্ছি। সবাইকে অনেক অনেক নমস্কার, ভাল থাকবেন সকলে। বাংলার একটা ঐতিহ্য, গরিমা আছে, এটা আমাদের বাংলার নববর্ষ। সঙ্গে অনেক রাজ্যের নববর্ষ আছে। বাংলা সংস্কৃতি সম্প্রীতির পীঠস্থান, সমস্ত সামাজিক সংস্কার, জাতীয়তাবাদের, স্বাধীনতা সংগ্রামের পীঠস্থান। বাংলা সর্ব ধর্ম সমন্বয়ের পীঠস্থান। কেন্দ্রীয় বঞ্চনা সত্ত্বেও ১০৫টি সামাজিক কল্যাণ স্কিম শুরু করেছি। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত, সব মানুষের জন্য স্কিম আছে। আগামিদিনেও যাতে মানুষের কল্যাণ করতে পারি, এটাই উদ্দেশ্য। ভোট কাটছে, অনধিকার প্রয়োগ করছে। সব এজেন্সি দিয়ে বাংলার উপরে জুলুমবাজি করছে। এই অত্যাচারের বদলা নিন। আপনার একটা ভোট দিন।”
অমিত শাহ আবার লিখেছেন , “পয়লা বৈশাখের এই শুভ দিনে পশ্চিমবঙ্গের সকল ভাই-বোনদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, সাহিত্যিক এবং বীর বিপ্লবীদের গৌরবে ভরা এই বাংলায় নতুন বছরে আসুক উন্নয়ন, সুশাসন ও সকলের কল্যাণের এক নতুন অধ্যায়। রাজ্যের সকল মানুষের উজ্জ্বল ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ কামনা করছি।”
নীতিন নবীন আবার নববর্ষের শুভেচ্ছার জানিয়ে লিখেছেন , “পয়লা বৈশাখের এই পুণ্য লগ্নে আপনাদের সকলকে জানাই আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা! বাংলা নববর্ষের এই শুভ মুহূর্ত আমাদের মনে এক নবীন আশা এবং সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষার সঞ্চার করে। বাংলার সুমহান ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক অহংকারের শিকড়ে প্রোথিত এই উৎসব আজ আমাদের অনুপ্রাণিত করে এক নতুন ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যেতে— এমন এক আগামী, যেখানে প্রতিটি পরিবারের জন্য সুনিশ্চিত হবে সার্বিক উন্নয়ন, সুশাসন এবং মাথা উঁচু করে বাঁচার আত্মমর্যাদা।”







