নিজস্ব সংবাদদাতা : রাখির জীবন চিরকাল যেন ঘন মেঘাচ্ছন্ন। তার প্রেম থেকে শুরু করল বিয়ে, তারপর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনা – একের পর এক চাঞ্চল্যকর দৃশ্য লেগেই আছে তার জীবনে। ঝড়ের গতিতে বিয়ে হলেও তা ভেঙেছেও ঝড়ের গতিতে। নিজের স্বামীকে হাজতবাস করাতেও পিছুপা হননি রাখি। তবে জেল থেকে ছাড়া পেতেই আদিল তৎপর হয়ে ওঠেন রাখিকে শায়েস্তা করার জন্য। আদিল একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সবার সামনে তুলে ধরে। কিন্তু সেক্ষেত্রে রাখিও কম যায় না। স্বামী আদিলের সাথে মধুচন্দ্রিমা করতে গিয়ে,তার নগ্ন ভিডিও করে লাখ টাকায় বিক্রি করে এমনই অভিযোগ তুলেছে রাখি। সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে তিনি আরো বলেন যে বিবাহিত জীবনে তাকে ধর্ষনের শিকারও হতে হয়েছে।
আদিল দাবি করেন, রাখি প্রতারক। শুধু তাই নয়, রাখি নাকি সুবিধের মহিলা নন। তাঁর কথায়, ‘‘রাখি মহিলা বিপদজ্জনক, মহিলা কমিশন নারীসুরক্ষা আইনের ফাঁক তালে যা খুশি সে করতে পারে।’’ রাখি নিজে থেকেই নগ্ন ভিডিও করেন এমনকি তাকে মাদকাসক্ত করে কথা বলেছিলেন, যার সাথে তিনি একেবারেই যুক্ত নন। আদিলের অভিযোগ, ইরানি ছাত্রীকে রাখি টাকা দিয়ে ধর্ষণের নকল অভিযোগ দায়ের করিয়েছিলেন। মায়ের ক্যানসারের অজুহাতেও রাখি বাজার থেকে টাকা তুলতেন। আদিল জেলে যাবার পর রাখি জানান যে, ‘ সে অন্তঃসত্ত্বা।’ কিন্তু আদিল নাকি পেটে লাথি মেরে সেই সন্তান নষ্ট করে দেন। যদিও রাখির স্বামী দাবি করেন যে সে কখনও মা হতে পারবে না। কারণ তার নাকি জরায়ু নেই । এর পাল্টা উত্তরে একটি সংবাদ মাধ্যমের দ্বারা রাখির চিকিৎসক জানান যে,’ রাখি নিজের ডিম্বাণু আগেই সংরক্ষণ করিয়েছিলেন। জরায়ুর অস্ত্রোপচারও করিয়েছিলেন রাখি। তবে সেই অস্ত্রোপচারে তাঁর জরায়ু বাদ যায়নি, বরং ফাইব্রয়েডগুলি বাদ দেওয়া হয়েছিল।’
রাখি এখানেই থেমে থাকেন নি । তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার নগ্ন ভিডিও করে প্রাপ্তবয়স্কদের সাইটে বিক্রি করেছেন আদিল । আদিল এইসব করেছিল যখন তারা মধুচন্দ্রিমায় গিয়েছিলেন। তার এক একটি ভিডিও ৪৭ থেকে ৫০ লাখ টাকায় বিক্রি করেছেন আদিল। সম্পূর্ণ ঘটনা গুলোর পাশে রাখির প্রথম স্বামী রীতেশ সিংহ রয়েছেন। সেক্ষেত্রে আদিল দাবি করেন যে রীতেশের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ না করেই তাঁর সঙ্গে নিকাহ্ করেন তিনি। অভিযোগের পাল্টা অভিযোগ চলছে একের পর এক। এবার দেখার বিষয় কোথায় গিয়ে থামবে এই দুই পক্ষের অভিযোগ ?







