মুর্শিদাবাদ: টোটোচালক স্বামীকে শ্বাসরোধ করে খুনের অভিযোগে স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ থানার অন্তর্গত ফুলন্দর গ্রামে। মৃতের নাম জাহাঙ্গীর মোমিন। ধৃত স্ত্রীর নাম নাবেরা খাতুন। শনিবার অভিযুক্তকে জঙ্গিপুর আদালতে পেশ করা হয়। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের স্বার্থে ধৃতকে সাত দিনের পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়েছে তদন্তকারীরা।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে ফুলন্দর গ্রামের বাড়ি থেকে জাহাঙ্গীর মোমিনের দেহ উদ্ধার হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ। এরপর মৃতের পরিবারের সদস্যদের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়।
পরিবারের পক্ষ থেকে জাহাঙ্গীরের স্ত্রী নাবেরা খাতুনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের সময় স্বামীকে শ্বাসরোধ করে খুনের কথা স্বীকার করেন অভিযুক্ত। এরপরই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তার পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। অভিযুক্তকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখতে চাইছে পুলিশ। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্তের অগ্রগতির দিকেই নজর রয়েছে।
[24/10, 13:45] Prasenjit Sir 1: ITBP-র সাহস ও আত্মত্যাগকে কুর্নিশ প্রধানমন্ত্রী মোদির, বাহিনীর প্রতিষ্ঠা দিবসে জানালেন শুভেচ্ছা
ইন্দো-তিব্বত বর্ডার পুলিশ (ITBP)-এর প্রতিষ্ঠা দিবসে বাহিনীর জওয়ানদের অসীম সাহস, অদম্য মনোবল এবং নিঃস্বার্থ সেবার ভূয়সী প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় ITBP-র কর্মীদের অবদান ও আত্মত্যাগকে কুর্নিশ জানিয়ে তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম X-এ একটি পোস্টের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী জানান, ITBP-র ‘হিমবীর’রা প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও নিজেদের দৃঢ় সংকল্প ও অসাধারণ সাহসের পরিচয় দিয়ে চলেছেন। প্রতিটি চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করে তাঁরা যেভাবে নিজেদের দায়িত্ব পালন করেন, তা গোটা দেশের কাছে অত্যন্ত গর্বের বিষয়।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাহিনীর জওয়ানদের নিষ্ঠা, কর্তব্যপরায়ণতা এবং আত্মত্যাগ দেশবাসীর কাছে গভীর অনুপ্রেরণার উৎস। দুর্গম পার্বত্য অঞ্চল ও কঠিন আবহাওয়ায় দায়িত্ব পালন করে দেশের সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ITBP-র সদস্যরা।
প্রতিষ্ঠা দিবসে বাহিনীর সমস্ত কর্মী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তাঁদের দেশসেবার প্রতি সম্মান প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের সাহসিকতা ও আত্মনিবেদন দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে তুলেছে।







