সামনেই লোকসভা নির্বাচন। দেশের সরকার গঠন নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে তরজা শুরু হয়েছে। দল আলাদা, দুইজনের মতাদর্শও আলাদা। কিন্তু দুজনেই বিখ্যাত রাজনীতিবিদ। এদের একজন হলেন রাজ চক্রবর্তী আর একজন হলেন তড়িত্ তোপদার। হঠাৎ তড়িৎ তোপদারের বাড়ি কেন গেলেন রাজ চক্রবর্তী? তাই নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।
উত্তর ২৪ পরগনার তড়িত্ তোপদার পেশায় ছিলেন ব্যারাকপুরের মন্মথ নাথ বয়েজ স্কুলের রসায়নের শিক্ষক।তিনি ছাত্র জীবন থেকেই বামপন্থী দলের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। ব্যারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের আসনে ছ’বারজয়ী হয়ে সংসদে গিয়েছেন। নব্বই এর দশকে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের দোর্দন্ডপ্রতাপ সিপিআইএম নেতা ছিলেন এই তড়িত্ বরণ তোপদার।তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রতাপ এখন অনেকটাই তলানিতে! তাঁর জীবনের এই চড়াই উতরাইয়ের গল্প নিয়েই এ বার চলচ্চিত্র তৈরি করতে চলেছেন ব্যারাকপুরের বর্তমান তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক তথা চলচ্চিত্র পরিচালক রাজ চক্রবর্তী।
সিপিএম নেতার বাড়িতে তৃণমূল বিধায়ক যেতেই অনেকেই নানা রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করছেন। কিন্তু রাজ চক্রবর্তী বলেন এটা নিছকই সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎকার ছিল। রাজনীতির মানুষ হলেই শুধু রাজনীতি নিয়ে আলোচনা করতে তেমন কোন কথা নেই। তবে ওনার কাছ থেকে শুধু ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের বদলে যাওয়ার ইতিহাস শুনেছেন তিনি। বোঝার চেষ্টা করছেন।সেই সময়ের রাজনীতি এবং বর্তমান সময়ের রাজনীতির পার্থক্য।
তবে তথ্যচিত্র না চলচ্চিত্র কী বিষয়ে কথা হয়েছে তা নিয়ে মুখ খোলেননি দুজনের কেউই!এবিষয়ে টলি পাড়ায় জোর গুঞ্জন শীঘ্রই তত্কালীন প্রেক্ষাপটেই ওটিটির জন্য সিরিজ তৈরি করতে পারেন পরিচালক রাজ চক্রবর্তী।







