এপ্রিল মাসেই প্রচণ্ড গরমের মুখে ভারত, যার কারণে দিনের বেলা বাড়ি থেকে বের হতে অনেক সমস্যায় পড়তে হয়। এমন পরিস্থিতিতে, হিটস্ট্রোকের প্রবণতা থেকে যায়, যা এড়াতে লোকেরা তাদের সাথে একটি ঠান্ডা জলের বোতল রাখে যাতে শরীরকে ডিহাইড্রেশন হওয়া থেকে বাঁচানো যায়।

গ্রীষ্মের মৌসুমে, জল খুব দ্রুত গরম হয়ে যায়, যার কারণে লোকেরা কলের জল ব্যবহার করে। কখনো কি ভেবে দেখেছেন কেন কলের জল গ্রীষ্মে ঠাণ্ডা এবং শীতকালে গরম হয়, আসুন জেনে নেই এর বিজ্ঞান।
গরমের দিনে মানব দেহের সাথে তাপমাত্রার মিল থাকে তার জন্য জল ঠান্ডা লাগে আর শীতে দেহ ঠান্ডা থাকায় পাতালের স্বাভাবিক মাত্রার জল দেহের তুলনায় উঞ্চ হয় তাই গরম লাগে। গরমের সময় ভুগর্ভের জল ঠান্ডা থাকে। কারন মাটির নিচে জলের তাপমাত্রা ঠান্ডা থাকে। গরম মাটির নীচে পৌছায় না। আর শীতের সময় বাহিরের জলেতে ঠান্ডার তাপমাত্রা বেড়ে যায়। তবে ঠান্ডা মাটির নিচে পৌছাতে পারে না। যার কারনে ভূগর্ভের জলকে গরম মনে হয়। কলের জল হলো ভূগর্ভস্থ জল। এটা মাটির নিচে থাকায় বাহিরের ঠান্ডা বা গরম পরিবেশের প্রভাব এর মধ্যে তেমন পরেনা। আর মাটি তাপের কুপরিবাহক হওয়ায় বাইরের উত্তাপ/শীতলতা ভেতরে বা ভেতরের উত্তাপ/শীতলতা বাহিরে যেতে পারেনা। ফলে গরমের দিনে কলের জল ঠান্ডা থাকে আর শীতের দিনে গরম থাকে।







