দিল্লিতে কৃষি ভবনে গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের অফিসে ধর্নায় উপস্থিত থাকা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূল নেতা-নেত্রীদের আটক করার প্রায় ৩ ঘণ্টা পর দিল্লি পুলিস ছেড়ে দেয়। সাংবাদিক সম্মেলনে অভিষেক অভিযোগ করেন, দলের মহিলা সাংসদ-সহ নেতাদের সঙ্গে দিল্লি পুলিস দুর্ব্যবহার করেছে। তাঁর বিস্ফোরক দাবি, তাঁকে চুল ধরে টেনে বের করে দেওয়া হয়েছে।
সামাজিক মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, ‘প্রথমত, তারা নির্লজ্জভাবে বাংলার দরিদ্রদের জন্য বরাদ্দ হওয়া গুরুত্বপূর্ণ তহবিল আটকে রেখেছিল। এবং যখন আমাদের প্রতিনিধিদল দিল্লিতে পৌঁছে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করতে চায় তখন তারা আটকায়। রাজ্যের মানুষের দুর্দশার দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞ আমরা। তাই আমাদের সঙ্গে নির্মমতা দেখাল কেন্দ্র। প্রথমে রাজঘাটে, তারপরে কৃষি ভবনে।’
যুব তৃণমূলের তরফে গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার রাতেই বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, ‘আজ কৃষি ভবনে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ-এর সময় থাকা সত্ত্বেও সাড়ে তিন ঘন্টার উপর আমাদের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সহ মাননীয় মন্ত্রী, মাননীয় সাংসদদের বসিয়ে রাখা হয়। যে মন্ত্রী আজ বিকেল ৪ টের সময় বিজেপির প্রতিনিধির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন, কিন্তু অ্যাপয়েন্টমেন্ট থাকা সত্ত্বেও আমাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ না করেই বেরিয়ে যান এবং তারপরে অমিত শাহের পুলিশ যে বর্বরোচিত আচরণে আমাদের মাননীয় মন্ত্রী, সাংসদ ও সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে গ্রেপ্তার করেছে, মহিলা ও বয়স্ক সাংসদেরও রেয়াত করেননি, তার প্রতিবাদে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের ও ছাত্র পরিষদের পক্ষ থেকে যৌথ প্রতিবাদ কর্মসূচি। আগামীকাল প্রতিটি ব্লকে বিজেপির এই ন্যক্কারজনক, বর্বরোচিত আচরণের প্রতিবাদে মিছিল-সহ নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ ও গিরিরাজ সিংয়ের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হবে। পরশু রাজভবন অভিযান।’ চড়ছে রাজনৈতিক পারদ।







