উড়িষ্যায় রাজমিস্ত্রির কাজে গিয়ে মৃত্যু হল পরিযায়ী শ্রমিকের। জানা যায়, বহুতল নির্মাণের কাজ চলাকালীন তিনতলা থেকে নীচে পড়ে মৃত্যু হয় শ্রমিকের। উপযুক্ত সুরক্ষা এবং নির্মাণকারী সংস্থার গাফিলতির কারণেই এই মৃত্যু, এমনটাই অভিযোগ মৃতের পরিবারের।
মৃতের নাম রবিউল শেখ, বয়েস ২৩বছর। সুতির দিহি গ্রাম এলাকার বাসিন্দা। বাড়িতে বৃদ্ধ বাবা মাকে রেখে উড়িষ্যায় রাজমিস্ত্রির কাজে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে একটি নির্মাণে কাজ করছিলেন রবিউল। জানা যায়, কাজ চলাকালীন তিনতলা থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় সুন্দরগড় হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করা হয়।
সুন্দরগড় হাসপাতাল থেকে তাকে রেফার করে দেওয়া হয় উড়িষ্যার ভুলনা হাসপাতালে। ভুলনা হাসপাতলে তিনদিন চিকিৎসার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রেফার রেফার করে দেয় রবিউলকে। উড়িষ্যা থেকে রবিউল কে আনা হয় কলকাতায়। কলকাতার এক নার্সিংহোমে ভর্তি করা হলে, ১ তারিখে মৃত্যু হয় রবিউলের।
পরিবারের অভিযোগ, মৃত্যুর খবর পেয়ে নার্সিংহোমে পৌঁছালে পরে নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষ পুলিশি ঝঞ্ঝাট দেখিয়ে পরিবারের হাতে রবিউলের মৃতদেহ ছাড়তে গরিমসি করে। অবশেষে সাহায্যের দাবি নিয়ে পরিবারের লোক দ্বারস্থ হয় সুতি থানার আধিকারিকদের কাছে।
ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ শুনে সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয় সুতি থানার তরফ থেকে রবিউলের পরিবারকে। সুতি থানার অফিসার ইনচার্জ বিজন রায় এবং এ এস আই সমর হালদারের তত্ত্বাবধানে অবশেষে দুদিন পর মঙ্গলবার রবিউলের দেহ হাতে পায়ে পরিবার।
রবিউলের দেহ মঙ্গলবার গভীর রাতে বাড়ি ফেরার পর, আজ তার জানাযার হবে। তার আগে আজ সকালে এএসআই সমর হালদার সমবেদনা এবং গভীর শোক জানিয়ে শোকাহত পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন তিনি।







