নারী ও শিশুসুরক্ষায় তৎপরতা। গাড়িতে বসছে নয়া প্রযুক্তি। গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে সমস্ত বাণিজ্যিক গাড়িতে বসানো হচ্ছে ভেহিক্যাল লোকেশন ট্র্যাকিং ডিভাইস; যা বসালে কন্ট্রোলরুমে বসেই দেখা যাবে যে কোনও গাড়ির অবস্থান। সেই সঙ্গে পাওয়া যাবে গাড়ির যাবতীয় তথ্যাদি। এদিন এই পরিষেবার উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
ঠিক কী মত মুখ্যমন্ত্রীর? প্রধানত পরিবহণ দফতর এবং পুলিসের দায়িত্ব হবে এই অ্যাপটির মাধ্যমে অপরাধ রোখার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, ‘কিছু দুষ্টু লোক তো সব জায়গায় আছে। এই অ্যাপটি মা-বোনেদের নিরাপদ রাখার জন্য। গাড়িতেই থাকবে প্যানিক বোতাম। তা টিপলেই পুলিস এবং পরিবহণ দফতর সংকেত পাবে। সেই মতো গাড়িটিকে চিহ্নিত করা যাবে। রাতে মাঝ রাস্তায় গাড়ি খারাপ হয়ে গিয়ে বিপাকে পড়লেও এই অ্যাপের মাধ্যমে সংকেত পাঠালে সাহায্য করবে পুলিস ও পরিবহণ দফতর। সেইসঙ্গে নজর রাখবে গাড়ির গতির উপরও। সব গাড়িতেই লক্ষ্য রাখবে পুলিস ও পরিবহন দফতর।’
উল্লেখ্য, কলকাতায় জি-২০ সম্মেলনের সূচনা। আন্তর্জাতিক মঞ্চ থেকে দুয়ারে সরকার প্রকল্পের প্রশংসায় সামিল হন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী। বক্তৃতার শেষে বিদেশি প্রতিনিধিদের নিজস্ব ভাবনা প্রসূত ইকো পার্ক এবং ওয়্যাক্স মিউজিয়াম ঘুরে দেখার অনুরোধ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।







