আসন্ন জি ২০’র সভাপতিত্ব করার দায়িত্বভার ভারতের ওপর। ২০২২ সালের নভেম্বরের ১৫ তারিখে জি-২০ সম্মেলনের আসর বসেছিল ইন্দোনেশিয়ার বালিতে। উক্ত সম্মেলনেই আগামী বছর জি-২০ সম্মেলনের আয়োজনের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয় প্রধানমন্ত্রীর হাতে। পরবর্তী জি ২০-র সম্মেলন হবে আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে। সেই উপলক্ষে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে নানাবিধ অনুষ্ঠানপর্ব।
উল্লেখ্য, সোমবার থেকে কলকাতায় বসল জি-২০’র বার্ষিক সম্মেলনের বৈঠক। এক বছরব্যাপী এই সম্মেলনে পৌরোহিত্য করছে দেশ। উন্নয়ন এবং আর্থিক-সহ নানা বিষয় নিয়ে গত ডিসেম্বর থেকেই দেশের বিভিন্ন শহরে সম্মেলনের বিভিন্ন পর্ব আরম্ভ হয়েছে। এবার তিলোত্তমাও তারমধ্যেই। সকলকে আর্থিক ব্যবস্থার আওতায় আনার কর্মসূচি ও পরিকল্পনা স্থির করতে বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে এই বৈঠকে অংশ নেবেন দেশ-বিদেশের বহু অভিজ্ঞরা।
সোম, মঙ্গল ও বুধ; এই ৩ দিন ধরে বৈঠক চলবে। সূত্রের খবর, তিন দিনের বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয় ডিজিটাল ফিনান্সিয়াল সিস্টেম। এদিন বৈঠকের সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর উবাচ, ‘রাজ্যে কর্মসংস্থান বেড়েছে, দারিদ্রতা কমেছে। রাজ্যে ১২ লক্ষ কর্মসংস্থান হয়েছে। জাতি-ধর্ম-নির্বিশেষে, হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সবাইকে এই রাজ্যে দেওয়া হয় স্কলারশিপ। করোনাকালে রাজ্যের জিডিপি বেড়েছে ৪ গুণ। দুয়ারে সরকার কেন্দ্রের পুরস্কার পেয়েছে।’ তাঁর সংযোজন, ‘একতাই আমাদের মূল মন্ত্র। জরুরি মানুষের উন্নয়ন।’







