স্কুল ছাত্রীকে হেনস্থার অভিযোগ বিএসএফ এর বিরূদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহারের দিনহাটার গীতালদহে। প্রতিবাদ করায় সেই ছাত্রীকে উল্টে মারধর করে বলে অভিযোগ বিএসএফ সেনার বিরূদ্ধে। থানায় অভিযোগ জানায় নিগৃহীত ওই ছাত্রী।
সূত্রের খবর, গীতালদহ হাইস্কুলের তিন ছাত্রী পারভিনা খাতুন, লাবণী পারভিন এবং শাহনাজ খাতুন মাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষা দিয়ে ফিরছিল। পথে ফেরার সময় তাদের বিএসএফ চেক করার নামে আটকে দেয়। অনেকক্ষণ আটকে রাখার জন্য তারা নিজেদের মধ্যে কথা বলছিল। সেই সময় হঠাৎই মহিলা বিএসএফ কর্মী এসে হঠাত্ তাদের মারধর করতে শুরু করে। তাদের মধ্যে কেও কেও হতে চোট ও পায়।
তবে এই ঘটনায় প্রথম নয়। এর আগেও এক রাজবংশী যুবককে বাংলাদেশি সন্দেহে গুলিতে ঝাঁজরা করে দিয়েছিলেন সীমান্তের জওয়ানরা। একাধিকবার বিএসএফের বিরুদ্ধে গুলি চালিয়ে স্থানীয়দের মেরে ফেলা কিংবা নিগ্রহের অভিযোগ উঠেছে।
এবার তিন ছাত্রীর নিগ্রহের প্রতিবাদে ফুঁসছে গীতালদহ এক নম্বর পঞ্চায়েতের ভোরামপোয়েস্তি এলাকার মানুষ। গীতালদহ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মলয়কুমার দাস ওই তিন ছাত্রীকে সঙ্গে নিয়ে থানায় যান এফআইআর করতে। তিনি বলেন ‘এদিন স্কুলে এসে অভিভাবকরা জানান যে, তিনজন ছাত্রীকে বিএসএফ শারীরিকভাবে নিগ্রহ করেছে। তারপরেই ওই ছাত্রীদের সঙ্গে আমি থানায় যাই। এবং ছাত্রীদের পক্ষ থেকে বিএসএফের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।’
স্কুলের পরিচালন সমিতির সভাপতি মোস্তফা খোন্দকার বলেন, ”আমাদের স্কুলের ছাত্রীদের বিএসএফ শারীরিকভাবে নিগ্রহ করেছে। প্রাথমিকভাবে ওই ছাত্রীদের চিকিত্সা করানো হয়েছে। বিএসএফের এই ধরনের অত্যাচার মেনে নেওয়া যায় না তাই দোষীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি করেছি আমরা।’
স্কুলের পরিচালন সমিতির সভাপতি মোস্তফা খোন্দকার বলেন, ”আমাদের স্কুলের ছাত্রীদের বিএসএফ শারীরিকভাবে নিগ্রহ করেছে। প্রাথমিকভাবে ওই ছাত্রীদের চিকিত্সা করানো হয়েছে। বিএসএফের এই ধরনের অত্যাচার মেনে নেওয়া যায় না তাই দোষীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি করেছি আমরা।’ এই বিষয়ে বিএসএফের আধিকারিকদের কোনো মন্তব্য জানা যায়নি।







