ঘর থেকে উদ্ধার হল এক কলেজ ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ। গভীর রাতে মোবাইলে গৃহশিক্ষক আত্মহত্যায় হুমকি দেন বলে অভিযোগ। আর ছাত্রীর দেহ উদ্ধারের পরই ওই গৃহশিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার উত্তর চব্বিশ পরগনা জোলার বসিরহাটে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
উত্তর চব্বিশ পরগনার বসিরহাট মহকুমার স্বরূপনগর থানার বাকরা গোকুলপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ছোট বাকরা গ্রামে ওই ছাত্রীর দেহ উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতার নাম পায়েল সরকার। বছর আঠারোর পায়েল তেতুলিয়া শহীদ নুরুল ইসলাম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্রী। গৃহ শিক্ষক অনুপ রায়ের সঙ্গে বেশ কয়েক মাস ধরে তাঁর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। প্রথমে মোবাইল ফোনে কথাবার্তা, তারপর ধীরে ধীরে তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে বলে জানিয়েছে ছাত্রীর পরিবার।
অভিযুক্ত গৃহ শিক্ষকের বাড়ি আটুরিয়ায়। অভিযোগ, মোবাইল ফোনে যুগলের অন্তরাঙ্গের ছবি তোলা হয়েছিল। শুক্রবার রাতে প্রেমিক গৃহশিক্ষকের থেকে পায়েলের কাছে শেষ ফোন আসে। সেখানে তাঁদের মধ্যে মনোমালিন্য হয়। শনিবার বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিবারের লোক দেখেন পায়েল দরজা খুলছে না। পরে দরজা ভেঙে ওই ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে।
গৃহশিক্ষক অনুপ রায় আত্মহত্যা করার প্ররোচনা দেন বলে অভিযোগ ছাত্রীর পরিবারের। খবর দেওয়া হয় পুলিশে, ঘটনাস্থলে পৌঁছয় স্বরূপনগর থানার পুলিশ। ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
মৃতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ওই গৃহ শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে স্বরূপনগর থানার পুলিশ। ছাত্রীর পরিবার ওই গৃহশিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। ধৃতকে শনিবার বসিরহাট মহাকুমা আদালতে তোলা হয়েছে।







