কংগ্রেস সাংসদ ধীরজ সাহুর উপর অভিযান চালিয়ে ৩৫০ কোটি টাকার বেশি নগদ উদ্ধার প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, “আমি খুব অবাক হয়েছি। স্বাধীনতার পর একজন সাংসদের বাড়ি থেকে এত বড় পরিমাণ নগদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। কোটি কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। পুনরুদ্ধার করা হয়েছে কিন্তু গোটা ভারত জোট এই দুর্নীতির বিষয়ে নীরব। আমি বুঝতে পারছি কংগ্রেস নীরব কারণ দুর্নীতি তাদের প্রকৃতিতে রয়েছে কিন্তু JDU, RJD, DMK, এবং SP সবাই চুপচাপ বসে আছে… এখন আমি বুঝতে পারছি কেন প্রধানমন্ত্রী মোদীর বিরুদ্ধে প্রচার চালানো হয়েছিল এজেন্সিগুলোর অপব্যবহার করা হচ্ছে। এটা চালানো হয়েছিল কারণ তাদের মনে একটা ভয় ছিল যে তাদের দুর্নীতির সব রহস্য ফাঁস হয়ে যাবে…”
ওড়িশার পর বিহার। তিন জায়গায় হানা দিয়ে ২.৮৭ কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করল ইডি। প্রায় পাঁচ বছরের পুরনো অর্থ তছরুপের একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে গত শনিবার অমিত কুমার ওরফে বাচ্চা রাইয়ের বাড়ি, বিষুন রাই মহাবিদ্যালয় এবং বিষুন রাজদেও টিচার্স ট্রেনিং কলেজে তদন্তকারীরা হানা দিয়ে নগদ ২কোটি ৮৭ লক্ষ টাকা উদ্ধার করে সমস্ত কিছু বাজেয়াপ্ত করেছে।
ইডির দাবি, নামে বেনামে আরও সম্পত্তি রয়েছে অমিত কুমারের। বাচ্চার স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৫ কোটি টাকা। ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসেই পাটনার বিশেষ পিএমএলএ আদালতে এই মামলার চার্জশিট জমা করে তদন্তকারী সংস্থাটি। অন্তত ১০০টি জায়গায় জমি কিনেছিলেন বাচ্চা-জানতে পেরেছে ইডি। বাচ্চার বিরুদ্ধে অভিযোগ যে বেসরকারি কলেজের মালিক হিসাবে তিনি পড়ুয়াদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে তাঁদের পরীক্ষার ফলাফল বদলে দিতেন। বাচ্চার সঙ্গেই এই মামলায় নাম জড়িয়েছিল বিহারের মাধ্যমিক বোর্ডের তত্কালীন চেয়ারম্যান লালকেশওয়াড় সিংয়ের। তদন্তে নেমে ইডি জানতে পারে বাচ্চা এবং তাঁর স্ত্রীর নামে বহু কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ মানতে চাননি বাচ্চা।







