চার অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনের প্রয়োগ। গতকাল বিকেল থেকে লাগাতার জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁদের উপর UAPA ধারা প্রয়োগ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ। লোকসভার ভিতর থেকে গ্রেফতার হওয়া সাগর শর্মা, মনোরঞ্জন ডি, এবং সংসদভবনের বাইরে থেকে গ্রেফতার হওয়া নীলম আজাদ এবং অমল শিন্ডে, চার জনের বিরুদ্ধেই একই ধারা প্রয়োগ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার আদালতে তোলা হবে তাঁদের।
দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর, গত কয়েক দিনে অভিযুক্তরা এক এক করে দিল্লিতে এসে পৌঁছন। গা ঢাকা দিয়ে থাকা ললিতই গুরুগ্রামে ভিকি নামের এক বন্ধুর বাড়িতে সকলের থাকার ব্যবস্থা করে দেন। এ বছর জানুয়ারি থেকেই সংসদভবনে তাণ্ডব চালানোর এই পরিকল্পনা শুরু হয় বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। বাদল অধিবেশন চলাকালীন মনোরঞ্জন সংসদভবন চত্বরে রেকিও করে যান। তার পর মহীশূরের বিজেপি সাংসদ প্রতাপ সিনহার সহযোগীর সঙ্গে যোগাযোগ করে ১৪ ডিসেম্বর সংসদে ঢোকার পাস জোগাড় করেন।
চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবারই পাস ইস্যু করা হয় সাংসদের দফতর থেকে, তবে ১৪ নয়, ১৩ ডিসেম্বরের পাস দেওয়া হয়। সেটি নিয়েই বুধবার সকালে ভিকির হাউস থেকে রেডিও ট্যাক্সিতে চেপে সংসদের উদ্দেশে রওনা দেন অভিযুক্তরা। সাগর এবং মনোরঞ্জন লোকসভায় ঢুকে যান। নীলম এবং অমল বাইরে ছিলেন। বাইরে ছিলেন ললিতও। নীলম এবং অমলকে গ্রেফতার করা গেলেও, ললিত পলাতক।
দিল্লি পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় ১৫৩ ধারা (দাঙ্গায় উস্কানি), ১২০-বি (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র), ৪৫২ (বেআইনি অনুপ্রবেশ), 186 (সরকারী কর্মীকে দায়িত্ব পালনে বাধা), ৩৫৩ (জোরপূর্বক সরকারি কর্মীকে নিগ্রহ এবং তাঁর উপর বলপ্রয়োগ করে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত করার চেষ্টা) ধারাও প্রয়োগ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি UAPA আইনের অনুচ্ছেদ নং ১৬ এবং ১৮-র আওতায় মামলা দায়ের করা হয়েছে চার জনের বিরুদ্ধে।







