কসভায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের ঢোকার ঘটনায় সংসদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতেই রাজ্যসভা থেকে সাসপেন্ড করা হল তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েনকে। বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে ডেরেক বলেন, বুধবার লোকসভায় অধিবেশন চলাকালীন সময় দু’জন অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি ঢুকে পড়ে। তাঁরা অধিবেশন চলাকালীন সময় লোকসভার গ্যালারি থেকে ঝাঁপ মারে। শুধু তাই নয়, তাঁরা সংসদের মধ্যে হলুদ ধোঁয়া ছড়াতে থাকে।
এই ঘটনায় ডেরেক ও’ব্রায়েন সংসদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “একটি গণতান্ত্রিক দেশে সংসদের নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এই ঘটনায় সংসদের নিরাপত্তা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।”
ডেরেক ও’ব্রায়েনের বক্তব্যে রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড় ক্ষুব্ধ হন। তিনি ডেরেক ও’ব্রায়েনকে বক্তব্যের ধারাবাহিকতা নষ্ট করার অভিযোগ করেন। এরপর ডেরেক ও’ব্রায়েন ও জগদীপ ধনখড়ের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়।
তর্কাতর্কি চলাকালীন জগদীপ ধনখড় ডেরেক ও’ব্রায়েনকে রাজ্যসভা থেকে সাসপেন্ড করার ঘোষণা করেন। ডেরেক ও’ব্রায়েনকে আগামী তিন দিন রাজ্যসভার অধিবেশনে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হবে না।
ডেরেক ও’ব্রায়েন রাজ্যসভা থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পর বলেন, “আমি সংসদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছি বলেই আমাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এটা একটা রাজনীতি।”
ডেরেক ও’ব্রায়েনের সাসপেন্ড হওয়ার ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। দলের রাজ্যসভার সচিব মৃণালকান্তি দাস বলেন, “ডেরেক ও’ব্রায়েন একটি গণতান্ত্রিক অধিকারে কথা বলেছেন। কিন্তু তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এটা একটা দুঃখজনক ঘটনা।”







