বাংলাদেশের অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে ও পাসপোর্ট নিয়ে ছড়াচ্ছে রাজনৈতিক মহল। এবার শেষ কেন রে কদম্বগাছি অঞ্চল। সেখানে সবচেয়ে বেশি জন্মসংসাপত্র আবেদন করা হয়েছে। এই ঘটনা রাজনৈতিক মহলে উঠছে হাজারও প্রশ্ন। এই ঘটনায় মন্তব্য করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এই ঘটনায় তাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “এরা তৃণমূলের ভোটার। পাকিস্তানের জঙ্গি ও ভোটের, জাভেদ মুন্সী। আসাম পুলিশ ধরেছে এদের, কাশ্মীর পুলিশ ধরেছে এদের। পুলিশ ব্যস্ত বিজেপির নামে মিথ্যা মামলা করায়। একটু আগে তুহিন বিশ্বাসের নামে অপহরণের মামলা করছি আমরা। চন্দন দাসকে অপহরণ করেছে ওড়িশা থেকে। ওড়িশা পুলিশ জানে না।কত বড় মাতব্বর হয়েছে এরা, সব জব্দ করে দেব। এর আগেও নন্দীগ্রামের অনেক লোককে সাত মাস আট মাস ধরে জেলে রেখেছে। ১৫ দিন আগে মামলা মিথ্যে প্রমাণ হয়েছে। এটাও এবার মিথ্যা প্রমাণ হবে। মমতা ব্যানার্জী যেখানে দাঁড়াবেন সেখানে গিয়ে দাঁড়াবো। তাই প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে হিন্দু নেতাদের পুলিশকে ব্যবহার করে এ জিনিস করছে।”
এই বক্তব্যে সুর চড়াচ্ছে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা।






