উপাচার্য নিয়োগ ঘিরে নবান্ন বনাম রাজভবন সংঘাত বহুদিনের। শুক্রবার রাজভবনের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় গুলিকে চিঠি পাঠিয়ে জানানো হয়, অন্তর্বর্তী উপাচার্যরাও বৈঠক ডাকতে পারেন!
রাজ্যপালের এমন চিঠির কথা শুনে ক্ষুব্ধ রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
উপাচার্য নিয়োগকে ঘিরে সম্প্রতি রাজ্য বনাম রাজ্যপালের বিবাদ চরমে পৌঁছেছিল। বিষয়টি গড়ায় আদালত পর্যন্ত। রাজ্যের তরফে বিশ্ববিদ্য়ালয়গুলিকে পরিষ্কারভাবে জানানো হয়, অস্থায়ী উপাচার্যরা কর্মসমিতির বৈঠক ডাকতে পারবেন না। রাজ্যের বক্তব্যকে মান্যতা দিয়েছিল শীর্ষ আদালতও।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “রাজ্যপালের স্পর্ধা দেখে আমি অবাক হয়ে যাচ্ছি। দেশের সর্বোচ্চ আদালত বলছেন এই ধরনের কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। সেখানে উনি রাজ্য সরকারকে এই ভাবে অগ্রাহ্য করার স্পর্ধা পাচ্ছেন কী করে? উনি তো মুখ্যমন্ত্রীকে অগ্রাহ্য করছেন।” বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে আইনি পরামর্শ নেবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্র
গত ১ ডিসেম্বর শীর্ষ আদালতের পক্ষ থেকে পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয়, উপাচার্য নিয়োগের সমাধান করতে হবে রাজ্যপাল এবং মুখ্যমন্ত্রীকেই। এ ব্যাপারে দু’পক্ষকে দ্রুত বৈঠকে বসার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট।
আদালতের নির্দেশ মেনে গত ৪ ডিসেম্ব চা-বৈঠকে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী এবং রাজ্যপাল। বৈঠক ভাল হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এমনকি গত বুধবার সল্টলেকে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস পরিদর্শনে গিয়ে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস জানিয়েছিলেন, ‘উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজভবন নতুন করে কোনও বিতর্ক চায় না। এব্যাপারে শীর্ষ আদালতের সিদ্ধান্তকে সম্মতি জানাবে রাজভবন।’







