দেশ

লখনউয়ের কোচিং সেন্টারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মৃত ১৫; ক্ষতিপূরণ ঘোষণা যোগীর

উত্তরপ্রদেশের রাজধানী লখনউয়ের আলিগঞ্জ এলাকায় একটি কোচিং সেন্টারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৫। সোমবার দুপুরে একটি তিনতলা বাণিজ্যিক ভবনে আগুন লাগার পর ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে এবং ভবনের ভিতরে আটকে পড়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা এলাকায়।

প্রশাসন জানিয়েছে, যে ভবনটিতে আগুন লাগে সেখানে একটি কোচিং সেন্টারের পাশাপাশি পোষ্য প্রাণীর দোকান ও অন্যান্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানও ছিল। আগুন লাগার সময় কোচিং সেন্টারে বহু শিক্ষার্থী ক্লাস করছিলেন। মুহূর্তের মধ্যে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আগুন জ্বলতে থাকে। পরে দমকলের একাধিক ইঞ্জিনের চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। উদ্ধারকারীরা ভবনের ভিতর থেকে একাধিক দগ্ধ দেহ উদ্ধার করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রাণ বাঁচাতে কয়েকজন শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ দোতলার জানলা থেকে নিচে ঝাঁপ দেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতেও দেখা গিয়েছে, ধোঁয়ার মধ্যে আটকে পড়া এক যুবক জানলার কার্নিশ ধরে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছেন। পরে তিনি নিচে পড়ে গুরুতর জখম হন এবং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ, দমকল ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। উপ-মুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক উদ্ধারকাজের তদারকি করেন। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা করেছেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকেও মৃতদের পরিবারপিছু ২ লক্ষ ও আহতদের ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তার কথা জানানো হয়।

আগুন লাগার কারণ এবং ভবনে অগ্নি-নিরাপত্তা বিধি মানা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন।লখনউয়ের কোচিং সেন্টারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, মৃত ১৫; ক্ষতিপূরণ ঘোষণা যোগীর

উত্তরপ্রদেশের রাজধানী লখনউয়ের আলিগঞ্জ এলাকায় একটি কোচিং সেন্টারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৫। সোমবার দুপুরে একটি তিনতলা বাণিজ্যিক ভবনে আগুন লাগার পর ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে এবং ভবনের ভিতরে আটকে পড়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা এলাকায়।

প্রশাসন জানিয়েছে, যে ভবনটিতে আগুন লাগে সেখানে একটি কোচিং সেন্টারের পাশাপাশি পোষ্য প্রাণীর দোকান ও অন্যান্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানও ছিল। আগুন লাগার সময় কোচিং সেন্টারে বহু শিক্ষার্থী ক্লাস করছিলেন। মুহূর্তের মধ্যে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে আগুন জ্বলতে থাকে। পরে দমকলের একাধিক ইঞ্জিনের চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। উদ্ধারকারীরা ভবনের ভিতর থেকে একাধিক দগ্ধ দেহ উদ্ধার করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রাণ বাঁচাতে কয়েকজন শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ দোতলার জানলা থেকে নিচে ঝাঁপ দেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতেও দেখা গিয়েছে, ধোঁয়ার মধ্যে আটকে পড়া এক যুবক জানলার কার্নিশ ধরে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছেন। পরে তিনি নিচে পড়ে গুরুতর জখম হন এবং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ, দমকল ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। উপ-মুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক উদ্ধারকাজের তদারকি করেন। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা করেছেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকেও মৃতদের পরিবারপিছু ২ লক্ষ ও আহতদের ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তার কথা জানানো হয়।

আগুন লাগার কারণ এবং ভবনে অগ্নি-নিরাপত্তা বিধি মানা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Adblock Detected

Please Turn Off Your Ad Blocker.