ফের মাঝআকাশে বিমান আতঙ্ক।কেরলের তিরুবনন্তপুরম থেকে দিল্লিগামী এয়ার ইন্ডিয়ার এআই-২৪৫৫ ফ্লাইটে মাঝআকাশে তীব্র আতঙ্কের ঘটনা। কপাল জোরে প্রাণে বাচলেন কংগ্রেস নেতা, একাধিক সাংসদ ও সাংসদ কে সি বেণুগোপাল সহ ও শতাধিক যাত্রী ছিলেন ওই বিমানে। টেক-অফের কিছুক্ষণ পরই প্রবল টার্বুলেন্স ও প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে বিমানটিকে জরুরি ভিত্তিতে চেন্নাইয়ে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়।
ফ্লাইট ট্র্যাকিং সাইট ফ্লাইটরাডারের তথ্য অনুযায়ী, বিমানটি রাত ৮:১৭ নাগাদ তিরুবনন্তপুরম থেকে যাত্রা শুরু করে চেন্নাই পৌঁছয় রাত ১০:৩৫ নাগাদ। প্রায় ৩ ঘণ্টা পর, রাত ১:৪০ নাগাদ পুনরায় উড্ডয়ন করে ভোর ৩:৫৮ মিনিটে দিল্লিতে অবতরণ করে।
আহমেদাবাদের ঘটনার পর এই সংস্থার বিভিন্ন ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা যাচ্ছে। পরবর্তীতে সময়ের সঙ্গে পরিষেবা স্বাভাবিক হয়েছে। তবে সংস্থার বিরুদ্ধে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। এই পুরো ঘটনা বিস্তারিত জানিয়ে এক্স-হ্যান্ডেলে সরব হন সাংসদ কে সি বেণুগোপাল। পাশাপাশি দুঃখ প্রকাশ করেছে এয়ার ইন্ডিয়া বিমান সংস্থা।
এপ্রসঙ্গে সাংসদ কে সি বেণুগোপাল এক্স-হ্যান্ডেলের পোস্টে লিখেছেন, ‘তিরুবনন্তপুরম থেকে দিল্লি যাওয়ার পথে আমরা মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফিরেছি। বিলম্বিত যাত্রা শুরু হয়েছিল প্রবল টার্বুলেন্সের মাঝেই। ঘণ্টাখানেক পর ক্যাপ্টেন ঘোষণা করেন, ফ্লাইটের সিগন্যাল ত্রুটির কারণে বিমান চেন্নাইয়ে নামবে। প্রায় দু’ঘণ্টা আকাশে চক্কর কাটতে থাকি অনুমতি পাওয়ার জন্য। প্রথম অবতরণের চেষ্টা চলাকালীন, আমরা শুনতে পাই, অন্য একটি বিমান নাকি একই রানওয়েতে ছিল। সেই মুহূর্তে ক্যাপ্টেনের তৎপরতায় বিমান উপরে তুলে প্রাণ বাঁচে সকলের। দ্বিতীয় চেষ্টায় অবতরণ সফল হয়। যাত্রীদের নিরাপত্তা ভাগ্যের উপর নির্ভর করতে পারে না’।
এ প্রসঙ্গে এয়ার ইন্ডিয়া সংস্থা জানিয়েছেন, ‘প্রযুক্তিগত সমস্যা ও খারাপ আবহাওয়ার জন্য একটি সতর্কতামূলক পদক্ষেপ ছিল চেন্নাইয়ে ডাইভারশন। প্রথম অবতরণের সময় চেন্নাই এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের নির্দেশে গো-অ্যারাউন্ড করা হয়, অন্য বিমানের উপস্থিতির জন্য নয়। আমাদের পাইলটরা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং নিয়ম মেনেই পদক্ষেপ করেছেন। এমন অভিজ্ঞতার জন্য আমরা দুঃখিত। তবে যাত্রীদের নিরাপত্তাই আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার’।







