এবার ওবিসি মামলার রায়ের পর তৃণমূলকে খোঁচা মোদীর। কোনোরকম সমীক্ষা ছাড়াই মুসলিমদের ওবিসি তালিকাভুক্ত করার ষড়যন্ত্র কষছে বাংলা। কলকাতা হাইকোর্টের ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত রায়ের পরই এমন প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই ইস্যুতে মুখ খুলে তুলোধোনা করলেন ইন্ডিয়া জোটকে।
বললেন, বিরোধী জোট চড় খেয়েছে আদালতের রায়ে।
২০১০ সালের পরে তৈরি হওয়া সমস্ত ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিলের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের তরফে। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উচ্চ আদালতের এই রায় ঘোষণার পর বলেন, ‘‘এই রায় মানি না। ওবিসি সংরক্ষণ চলছে, চলবে।’’ কার্যত অমিত শাহ সেই মন্তব্যেরই সমালোচনা বলেছেন, ‘‘বাংলায় কোনও সমীক্ষা না করেই মুসলিমদের ওবিসি তালিকাভুক্ত করার ষড়যন্ত্র চলছে। এই কারণেই এমন রায় দিয়েছে আদালত।’’ সেই একই সুরে বিরোধীদের বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী মোদীও।
দিল্লির দ্বারকার এক জনসভা থেকে কলকাতা হাইকোর্টের রায় প্রসঙ্গে বুধবার নরেন্দ্র মোদী বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গের সরকার মুসলিমদের ভোটব্যাঙ্কের জন্য, যাচাই না করেই মুসলিমদের ওবিসি সার্টিফিকেট দিয়ে দিয়েছে। ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতি, তুষ্টিকরণের রাজনীতি সব সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। আদালত আজ তাঁদের থাপ্পড় মেরেছে!’’
প্রসঙ্গত, কলকাতা হাইকোর্ট গতকাল জানিয়েছে, ২০১২ সালের যে ওবিসি সংরক্ষণ তালিকা তা বেআইনি। ডিভিশন বেঞ্চে নির্দেশ দিয়েছে, রাজ্যকে ১৯৯৩ সালের ওবিসি সংরক্ষণ আইন অনুসার নতুন করে তালিকা তৈরি করতে হবে। আর ওয়েস্ট বেঙ্গল ব্যাকওয়ার্ড ক্লাস কমিশন তৈরি করবে সেই নতুন তালিকা।
এখানেই শেষ নয় মোদীর অভিযোগ। তিনি আরও বলেন, ‘‘বিরোধী এই ইন্ডিয়া জোট সরকারি একাধিক জমি ওয়াকফ বোর্ডকে দিয়ে দিচ্ছে। তারা তো বলেই দিয়েছে দেশের সম্পদের প্রথম অধিকারী মুসলিমরাই। খান মার্কেট গ্যাংরাই সবথেকে বড় পাপী।’’ মোদী-শাহরা বহুবার মুসলিমদের সংরক্ষণ প্রসঙ্গ টেনেছেন লোকসভা ভোটের প্রচারে।







