গতকাল ২১শে জুলাইয়ের মঞ্চ ছিল জমজমাট। সেই মঞ্চ থেকে তৃণমূলের দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলে তুলোধোনা করেন। পাশাপাশি দলের কর্মী সমর্থকদের আরো ভালো কাজ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়াও রাজ্য সরকারের অন্যতম উল্লেখ্যজনক প্রকল্প হল লক্ষ্মী ভান্ডার। এবার সেই প্রকল্প নিয়ে রাজ্যবাসীকে আশ্বস্ত করলেন মুখ্যমন্ত্রী।
২১শে জুলাই ব্রিগেড মঞ্চে প্রথমে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শহীদ পরিবারের সদস্যদের জন্য সমবেদনা জানান। এছাড়াও বারংবার তার মুখে উঠে এসেছে রাজ্যের প্রতি কেন্দ্রের বঞ্চনার কথা। এমনকি বাংলাদেশের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে রাজ্যের মানুষকে সেই উত্তেজনা প্ররোচিত না হতে আবেদন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি বাংলার উন্নয়নের বিষয় মানুষের সামনে রেখেছেন তিনি। এছাড়াও কর্মী সমর্থকদের বার্তা দিয়েছেন যাতে তারা মানুষকে সম্মান দেন। এমনকি তাদেরকে খেয়াল রাখতে নির্দেশ দেন, যাতে সাধারণ মানুষ কোনো পরিষেবা থেকে বঞ্চিত না হয়।
ইতিমধ্যেই জনদরদী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যবাসীর সুবিধার্থে বিভিন্ন প্রকল্প শুরু করেছেন। তার মধ্যে ব্যাপক সারা ফেলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লক্ষী ভান্ডার প্রকল্প। ২৪ এর নির্বাচনের আগে সেই প্রকল্পের মূল্য ৫০০ থেকে ১০০০ করে দেওয়া হয়েছিল জেনারেল কাস্টের মানুষের জন্য। অন্যদিকে ১০০০ থেকে ১২০০ করে দেওয়া হয়েছে তপসিনি জাতি এবং উপজাতি ভুক্ত মহিলাদের। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের মহিলাদের স্বনির্ভর করে তোলার উদ্যোগ নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে অনেকেই আবেদন করে এখনো পর্যন্ত টাকা পায়নি। সেই কারণে তাদেরকেই আশ্বস্ত করেছেন পুজোর পরে অথবা ডিসেম্বরের মধ্যেই তারা সমস্ত টাকা পেয়ে যাবেন।
একুশে জুলাই মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জানিয়েছেন, “লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্প যেমন চলছে, তেমনই চলবে। যারা লক্ষীর ভাণ্ডারের আবেদন করেছেন, কিন্তু এখনও টাকা পাননি, তাদের চিন্তার কোনো বিষয় নেই। পুজোর পরেই সবাই টাকা পেয়ে যাবেন। ডিসেম্বর মাস থেকেই রাজ্য সরকার লক্ষ্মীর ভান্ডারের জন্য আবেদন নিয়ে কাজ শুরু করবে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী ও রুপশ্রী প্রকল্পের জন্য সরকার ৬০ হাজার কোটি টাকা খরচ করেছে।রাজ্যের ২ কোটি ১৫ লক্ষ মহিলাকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দেওয়া হয়েছে।”







