৯০ মিনিটে মেলেনি ম্যাচের ফয়সালা। এক জন কমে গিয়েও শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গিয়েছিল সুইৎজারল্যান্ড। কিন্তু অতিরিক্ত সময়ের নাটকীয় মুহূর্তে আর্জেন্তিনার আক্রমণের ধার এবং বেঞ্চের শক্তিই পার্থক্য গড়ে দিল। হুলিয়ান আলভারেজের দুর্দান্ত গোল এবং লাউতারো মার্তিনেজের শেষ মুহূর্তের আঘাতে সুইসদের স্বপ্ন ভেঙে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল লিওনেল স্কালোনির দল।
৩-১ ব্যবধানে জয়ের ফলে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের শেষ চারে জায়গা করে নিল আর্জেন্তিনা। সেমিফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে আর্জেন্তিনা। নবম মিনিটে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের শট আটকে দেয় সুইস রক্ষণ। তবে সেই কর্নার থেকেই আসে প্রথম গোল। দশম মিনিটে লিওনেল মেসির নিখুঁত ক্রসে হেড করে বল জালে পাঠান ম্যাক অ্যালিস্টার। এগিয়ে যায় আর্জেন্তিনা।
গোল হজমের পর ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে সুইৎজারল্যান্ড। প্রথমার্ধের শেষ দিকে বলের দখলেও এগিয়ে ছিল তারা। তবে আর্জেন্তিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে খুব বেশি কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়তে হয়নি। প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-০ ব্যবধানে।
দ্বিতীয়ার্ধে সমতা ফেরানোর মরিয়া চেষ্টা চালায় সুইসরা। নির্ধারিত সময়ে কোনও দলই আর গোল করতে পারেনি। অতিরিক্ত সময়েও প্রথম দিকে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ চলতে থাকে। মেসির ফ্রি-কিক দেয়ালে আটকে যায়, থিয়াগো আলমাদার শটও রুখে দেন সুইস গোলরক্ষক।
তবে ১১২ মিনিটে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন হুলিয়ান আলভারেজ। জোসে লোপেসের পাস ধরে বক্সের সামনে থেকে বাঁকানো শটে দুর্দান্ত গোল করেন তিনি। এরপর সমতা ফেরানোর চেষ্টা করলেও শেষ মুহূর্তে লাউতারো মার্তিনেজের গোলে ম্যাচের ফল নিশ্চিত হয়ে যায়।
শেষ বাঁশি বাজার পর স্কোরবোর্ডে ৩-১। কঠিন লড়াইয়ের পর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্তিনা, যেখানে অপেক্ষা করছে ইংল্যান্ডের চ্যালেঞ্জ। মেসিদের সামনে এখন আরও এক ধাপ এগিয়ে ইতিহাস গড়ার সুযোগ।







