বাংলাদেশের পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মন্তব্য করায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সতর্ক করল বিদেশমন্ত্রক। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়, বাংলাদেশিদের আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি রাজ্যের এক্তিয়ার ভুক্ত নয়। এই বিষয়ে মন্তব্য না করাই শ্রেয়।
উল্লেখ্য, ভারতের সংবিধানের সপ্তম তফসিলের প্রথম তালিকার ১০ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা আছে, বিদেশ সংক্রান্ত সমস্ত বিষয় এবং অন্য কোনও দেশের সঙ্গে সম্পর্কিত কেন্দ্রীয় সরকারের সমস্ত বিষয়ের এক্তিয়ার একমাত্র ভারত সরকারের। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্রের উবাচ, ‘এই বিষয়টি যৌথ তালিকায় নেই। আর অবশ্যই রাজ্যের তালিকায় নেই। তাদের অবস্থানটা স্পষ্ট, সাংবিধানিক এক্তিয়ারের বাইরের কোনও বিষয় নিয়ে রাজ্য সরকারের হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়।’
বাংলাদেশ তখন অগ্নিগর্ভ। একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে সেইসময় মমতা বলেছিলেন, ‘এই নিয়ে আমার বিশেষ কিছু বলার নেই, যা বলার ভারত সরকারই বলবে। কিন্তু অসহায় মানুষ বাংলার দরজায় খটখট করলে দরজা খোলা আছে, এটুকু আশ্বাস দিতে পারি।’ বিপদের কবলে পড়া বাংলাদেশিদের আশ্রয় দেওয়ার ব্যাপারেই আশ্বাস দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। যা নিয়ে অবশ্য আপত্তি তোলা হয়েছিল বাংলাদেশ থেকে।
সূত্রের খবর, এহেন মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বিদেশমন্ত্রককেও নালিশ জানিয়েছে বাংলাদেশ। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বাংলাদেশের কাছ থেকে পাওয়া আপত্তিবার্তার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘আমি আপনাদের নিশ্চিত করছি, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর করা মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে আমরা একটি কূটনৈতিক নোট পেয়েছি।’ চড়ছে রাজনৈতিক পারদ।







